বাংলাদেশ থেকে আসা সংখ্যালঘুরা অনুপ্রবেশকারী নন, ‘শরণার্থী’: শুভেন্দু অধিকারী
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ডিজিটাল স্ব-তথ্য নিবন্ধনভিত্তিক আদমশুমারি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেখভাল করা ভারতের দায়িত্ব নয় এবং আইনগত প্রক্রিয়ায় তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা অনুপ্রবেশকারী নন, বরং তারা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর অধীনে শরণার্থী হিসেবে গণ্য হবেন শনিবার (০১ আগস্ট) বিধাননগরে দুই সপ্তাহব্যাপী ডিজিটাল স্ব-তথ্য নিবন্ধন (সেলফ-এনুমারেশন) কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আদমশুমারিতে সংগৃহীত ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে এবং তা শুধুমাত্র পরিসংখ্যান, পরিকল্পনা ও উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা হবে। এই তথ্য আইনগতভাবে সুরক্ষিত। কারও ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ বা অপব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে অক্ষম বা দুর্গম এলাকায় বসবাসকারীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, সরকারি প্রতিনিধিরা সরাসরি তাদের বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। ভারতের আদমশুমারি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুরো কার্য
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ডিজিটাল স্ব-তথ্য নিবন্ধনভিত্তিক আদমশুমারি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেখভাল করা ভারতের দায়িত্ব নয় এবং আইনগত প্রক্রিয়ায় তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা অনুপ্রবেশকারী নন, বরং তারা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর অধীনে শরণার্থী হিসেবে গণ্য হবেন
শনিবার (০১ আগস্ট) বিধাননগরে দুই সপ্তাহব্যাপী ডিজিটাল স্ব-তথ্য নিবন্ধন (সেলফ-এনুমারেশন) কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আদমশুমারিতে সংগৃহীত ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে এবং তা শুধুমাত্র পরিসংখ্যান, পরিকল্পনা ও উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা হবে। এই তথ্য আইনগতভাবে সুরক্ষিত। কারও ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ বা অপব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।
ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে অক্ষম বা দুর্গম এলাকায় বসবাসকারীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, সরকারি প্রতিনিধিরা সরাসরি তাদের বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। ভারতের আদমশুমারি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং এতে সহযোগিতা করা সরকারি কর্মীদের সাংবিধানিক দায়িত্ব।
সীমান্ত নিরাপত্তা প্রসঙ্গে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা এই রাজ্য বা দেশে থাকতে পারবে না। আইনগত প্রক্রিয়ায় তাদের শনাক্ত করে সতর্কতার সঙ্গে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম চলবে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেখভাল করা ভারতের দায়িত্ব নয়।
তিনি আরও দাবি করেন, বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) কার্যক্রমে বাদ পড়া ২৭ লাখ ভোটারের মধ্যে মাত্র সাত লাখ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন।
অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থীদের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ অনুপ্রবেশকারী নন, তারা শরণার্থী।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ধর্মীয় নিপীড়ন বা প্রাণ বাঁচাতে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা যাবে না এবং পুলিশও তাদের হয়রানি করতে পারবে না।
ডিজিটাল তথ্য নিবন্ধনের পর আগামী ১৬ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ি তালিকাভুক্তি ও গৃহভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে। এ সময় পানীয় জল, শৌচাগার, বিদ্যুৎ, রান্নার জ্বালানি, ইন্টারনেট সংযোগসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার, মোটরসাইকেল ও চার চাকার যানবাহনের মতো সম্পদের তথ্যও নেওয়া হবে।
আদমশুমারির দ্বিতীয় ধাপ আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। ওই পর্যায়ে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের নাম, বয়স, লিঙ্গ, জাত, ধর্মসহ ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
সূত্র : দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
What's Your Reaction?