বাউফলে ‘ছাত্র সংগঠনের কর্মীদের’ মদ পানের ভিডিও ভাইরাল
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় কয়েকজন তরুণের মদ পানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা এসব তরুণকে একটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের বলে সনাক্ত করেছে। ফলে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গণে বেশ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝেও। বুধবার (১০ জুন) সকাল থেকে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটি এলাকাবাসীর নজরে আসে। মাত্র ৩৬ সেকেন্ডর ওই ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, কয়েকজন তরুণ একটি ঘরের মেঝেতে গোল হয়ে বসে; সামনে প্লাস্টিকের ওয়ান-টাইম কাপ, কোমল পানীয়ের বোতল ও চিপসের প্যাকেট। এক তরুণকে দেখা যায় একে একে উপস্থিত সবার কাপে মদ ঢেলে দিচ্ছেন। যে তরুণকে সবার কাপে মদ ঢেলে দিতে দেখা যাচ্ছে তার নাম সাজিদ। স্থানীয়দের দাবি, তিনি এসব সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতকি পট পরিবর্তনের পর তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়রা এও দাবি করছেন, ওই ভিডিওতে যাদের দেখা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের কর্মী। তবে বিষয়টি এখন পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। কে বা কারা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমা
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় কয়েকজন তরুণের মদ পানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা এসব তরুণকে একটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের বলে সনাক্ত করেছে। ফলে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গণে বেশ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝেও।
বুধবার (১০ জুন) সকাল থেকে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটি এলাকাবাসীর নজরে আসে। মাত্র ৩৬ সেকেন্ডর ওই ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, কয়েকজন তরুণ একটি ঘরের মেঝেতে গোল হয়ে বসে; সামনে প্লাস্টিকের ওয়ান-টাইম কাপ, কোমল পানীয়ের বোতল ও চিপসের প্যাকেট। এক তরুণকে দেখা যায় একে একে উপস্থিত সবার কাপে মদ ঢেলে দিচ্ছেন।
যে তরুণকে সবার কাপে মদ ঢেলে দিতে দেখা যাচ্ছে তার নাম সাজিদ। স্থানীয়দের দাবি, তিনি এসব সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতকি পট পরিবর্তনের পর তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়রা এও দাবি করছেন, ওই ভিডিওতে যাদের দেখা গেছে, তারা সবাই ছাত্রদলের কর্মী। তবে বিষয়টি এখন পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। কে বা কারা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় সাজিদ নামে যে তরুণের নাম উঠে এসেছে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। নেতাদের একজন নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িতদের এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যেকোনো ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের এমন বিতর্কিত আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রয়োজনে সংগঠন থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার বলেন, ভিডিওটি আমিও দেখেছি। ছাত্রদলের কেউ এতে জড়িত থাকলে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হবে।
What's Your Reaction?