বাধ্য করা হলে রাজপথে নামবো: জামায়াত আমির

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন এবং আমাদের যারা ভোট দিয়েছেন আমরা আগেও আপনাদের সঙ্গে ছিলাম এখন আরও শক্তভাবে থাকবো। যদি বাধ্য করা হয় তাহলে রাজপথেও আমরা নামবো। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের বৈঠকে অংশ নেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনে হার-জিত থাকবেই। সেটা যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে কিছু আসে যায় না। বড় ধরনের বৈষম্য হয়, অনিয়ম হয়ে থাকে... আমাদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি জানানোর পরও আজ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে; এটা তো ফ্যাসিবাদী লক্ষণ। তিনি বলেন, হামলা-ভাঙচুর, হুমকি-ধমকি দেওয়ার দায় তাদের নিতে হবে। আমরা চাইলেও তারা যদি ইতিবাচক রাজনীতি না চান, তাহলে আমরাও জোর করে ইতিবাচক রাজনীতি করতে পারবো না। যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন, সরকার গঠন করলে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব। জোর দিয়ে তিনি বলেন, এখনই এসব বন্ধ করতে হবে। যদি বন্ধ করা না হয় আমরা যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবো। আমরা নিরীহ দেশবাসী, যারা

বাধ্য করা হলে রাজপথে নামবো: জামায়াত আমির

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটে যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন এবং আমাদের যারা ভোট দিয়েছেন আমরা আগেও আপনাদের সঙ্গে ছিলাম এখন আরও শক্তভাবে থাকবো। যদি বাধ্য করা হয় তাহলে রাজপথেও আমরা নামবো।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের বৈঠকে অংশ নেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনে হার-জিত থাকবেই। সেটা যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে কিছু আসে যায় না। বড় ধরনের বৈষম্য হয়, অনিয়ম হয়ে থাকে... আমাদের পক্ষ থেকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি জানানোর পরও আজ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা হচ্ছে, ভাঙচুর হচ্ছে; এটা তো ফ্যাসিবাদী লক্ষণ।

তিনি বলেন, হামলা-ভাঙচুর, হুমকি-ধমকি দেওয়ার দায় তাদের নিতে হবে। আমরা চাইলেও তারা যদি ইতিবাচক রাজনীতি না চান, তাহলে আমরাও জোর করে ইতিবাচক রাজনীতি করতে পারবো না। যারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন, সরকার গঠন করলে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব।

জোর দিয়ে তিনি বলেন, এখনই এসব বন্ধ করতে হবে। যদি বন্ধ করা না হয় আমরা যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবো। আমরা নিরীহ দেশবাসী, যারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন, আমরা আগেও আপনাদের সঙ্গে ছিলাম। আজ থেকে আরও শক্তভাবে আপনাদের সঙ্গে থাকব। যদি বাধ্য করা হয় তাহলে রাজপথেও আমরা নামব।

আরএএস/এমআইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow