বাবার মৃত্যুতে মেসির পাশে পুরো আর্জেন্টিনা, পারেদেসের হৃদয়ছোঁয়া বার্তা
লিওনেল মেসির বাবা ও এজেন্ট জর্জ মেসির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে। কঠিন এই সময়ে মেসির পাশে থাকার প্রত্যয় জানিয়েছেন তার জাতীয় দলের সতীর্থরা। দলের হয়ে অনেকটা মুখপাত্রের ভূমিকায় কথা বলেছেন মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। তিনি জানিয়েছেন, মেসিকে একা থাকতে দেবেন না তারা। আর্জেন্টাইন লিগে ভেলেজ সার্সফিল্ডের বিপক্ষে ড্র করার পর জর্জ মেসির মৃত্যুর প্রসঙ্গে কথা বলেন পারেদেস। বোকা জুনিয়র্সের অধিনায়ক বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। এখন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে, সে দেশে ফিরে আসুক। এরপর আমরা তাকে দেখতে গিয়ে এই কঠিন সময়ে সমর্থন দেওয়ার চেষ্টা করব। কারণ জর্জ আমাদের কাছে যে অর্থ বহন করেন, তাতে আমরা এটাকে নিজেদের কষ্ট হিসেবেই অনুভব করছি।’ বাবার শেষ সময়ে পাশে থাকতে বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নিজের শহর রোজারিওতে ফিরে গেছেন। শুধু পারেদেসই নন, মেসির প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিও। ‘তিনি বলেন, তার পুরো পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা। আমি ইতোমধ্যে ‘লিটল ওয়ান’-এর (মেসিকে আদর করে যে নামে ডাকেন) কাছেও আমার সমবেদনা জানিয়েছি। আশা করি, তারা এই
লিওনেল মেসির বাবা ও এজেন্ট জর্জ মেসির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে। কঠিন এই সময়ে মেসির পাশে থাকার প্রত্যয় জানিয়েছেন তার জাতীয় দলের সতীর্থরা। দলের হয়ে অনেকটা মুখপাত্রের ভূমিকায় কথা বলেছেন মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। তিনি জানিয়েছেন, মেসিকে একা থাকতে দেবেন না তারা।
আর্জেন্টাইন লিগে ভেলেজ সার্সফিল্ডের বিপক্ষে ড্র করার পর জর্জ মেসির মৃত্যুর প্রসঙ্গে কথা বলেন পারেদেস। বোকা জুনিয়র্সের অধিনায়ক বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে কথা বলতে পারিনি। এখন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে, সে দেশে ফিরে আসুক। এরপর আমরা তাকে দেখতে গিয়ে এই কঠিন সময়ে সমর্থন দেওয়ার চেষ্টা করব। কারণ জর্জ আমাদের কাছে যে অর্থ বহন করেন, তাতে আমরা এটাকে নিজেদের কষ্ট হিসেবেই অনুভব করছি।’
বাবার শেষ সময়ে পাশে থাকতে বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন অধিনায়ক নিজের শহর রোজারিওতে ফিরে গেছেন।
শুধু পারেদেসই নন, মেসির প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিও। ‘তিনি বলেন, তার পুরো পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা। আমি ইতোমধ্যে ‘লিটল ওয়ান’-এর (মেসিকে আদর করে যে নামে ডাকেন) কাছেও আমার সমবেদনা জানিয়েছি। আশা করি, তারা এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি পাবে।’
জর্জ মেসির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করবে না বলে জানিয়েছে যেখানে তিনি ভর্তি ছিলেন সেই ক্লিনিক। তবে বেশ কয়েক মাস ধরেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল বলে জানা গেছে।
এর আগে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করার পর মেসির একটি বক্তব্যেও পরিবারের কঠিন সময়ের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। সেই ম্যাচের পর আর্জেন্টাইন তারকা জানিয়েছিলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে একটি স্পর্শকাতর পারিবারিক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এরপরই তার বাবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, মেসির পরিবারকে জর্জ মেসির চিকিৎসা নিয়ে বিবৃতি দিতে হয়েছিল। সেখানে জানানো হয়, তিনি চিকিৎসাধীন এবং তার শারীরিক অবস্থার উন্নতিও হচ্ছিল।
তবে শেষ পর্যন্ত সেই লড়াইয়ে হার মানলেন জর্জ মেসি। ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরও দেরি করেননি লিওনেল মেসি। টুর্নামেন্ট শেষে সরাসরি বিমানে করে রোসারিওর উদ্দেশে রওনা হন তিনি, যাতে অসুস্থ বাবার পাশে থাকতে পারেন।
এখন জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোর একটির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন মেসি। আর সেই সময়ে তার পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন দীর্ঘদিনের জাতীয় দলের সতীর্থরা। পারেদেস ও ওতামেন্দির কথাতেই স্পষ্ট-মাঠের বন্ধুত্ব পেরিয়ে আর্জেন্টিনা দলের এই সম্পর্ক অনেক বেশি গভীর।
এমএমআর
What's Your Reaction?