বাবার লিভারে বাঁচার আশা ছোট্ট ইব্রাহিমের, প্রয়োজন সাড়ে ১৩ লাখ টাকা

যে বয়সে হাতে থাকার কথা রঙিন খেলনা, মেতে থাকার কথা দুরন্ত শৈশবের আনন্দে- ঠিক সেই বয়সে বিছানায় শুয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ছোট্ট শিশু ইব্রাহিম তাহমিদ বিন ইমরান। বিরল লিভার রোগ ওলটপালট করে দিয়েছে তার পরিবারের মুখের হাসি। মাত্র আট মাস বয়সী এ শিশুর অস্ত্রোপচার ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা। সমাজের হৃদয়বান মানুষদের কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন বাবা প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন জয়। ইব্রাহিমের তথ্য অনুযায়ী, জন্মের পরপরই ইব্রাহিমের শরীরে ধরা পড়ে বিরল লিভারের রোগ বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া। বাংলাদেশে ১১০ দিন বয়সে তার কাসাই অস্ত্রোপচার (শিশুদের বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া রোগের প্রধান চিকিৎসা) করা হলেও সেটি সফল হয়নি। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে ড. রেলা ইনস্টিটিউট অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। বর্তমানে শিশুটি লিভার ফেইলিওর, পোর্টাল হাইপারটেনশনসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছে। চিকিৎসকদের মতে, জরুরি ভিত্তিতে লিভার ট্রান্সপ্লান্টই এখন তাকে বাঁচানোর একমাত্র উপায়। হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড এরইমধ্যে শিশুটির বাবা মো. ইমরান হোসেন জয়কে লিভার ডোনার হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। ইব্রাহিমের মা ড

বাবার লিভারে বাঁচার আশা ছোট্ট ইব্রাহিমের, প্রয়োজন সাড়ে ১৩ লাখ টাকা

যে বয়সে হাতে থাকার কথা রঙিন খেলনা, মেতে থাকার কথা দুরন্ত শৈশবের আনন্দে- ঠিক সেই বয়সে বিছানায় শুয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ছোট্ট শিশু ইব্রাহিম তাহমিদ বিন ইমরান। বিরল লিভার রোগ ওলটপালট করে দিয়েছে তার পরিবারের মুখের হাসি। মাত্র আট মাস বয়সী এ শিশুর অস্ত্রোপচার ও পরবর্তী চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা। সমাজের হৃদয়বান মানুষদের কাছে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন বাবা প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন জয়।

ইব্রাহিমের তথ্য অনুযায়ী, জন্মের পরপরই ইব্রাহিমের শরীরে ধরা পড়ে বিরল লিভারের রোগ বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া। বাংলাদেশে ১১০ দিন বয়সে তার কাসাই অস্ত্রোপচার (শিশুদের বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া রোগের প্রধান চিকিৎসা) করা হলেও সেটি সফল হয়নি। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে ড. রেলা ইনস্টিটিউট অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়।

বর্তমানে শিশুটি লিভার ফেইলিওর, পোর্টাল হাইপারটেনশনসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছে। চিকিৎসকদের মতে, জরুরি ভিত্তিতে লিভার ট্রান্সপ্লান্টই এখন তাকে বাঁচানোর একমাত্র উপায়। হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড এরইমধ্যে শিশুটির বাবা মো. ইমরান হোসেন জয়কে লিভার ডোনার হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে।

ইব্রাহিমের মা ডা. তাশরিফা সুলতানা সানিয়া ইন্টার্ন চিকিৎসক। সন্তানের চিকিৎসার জন্য দম্পতি তাদের সঞ্চয় ও সামর্থ্যের সবটুকুই ব্যয় করেছেন। আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় হাসপাতালের প্রি-অপারেটিভ প্যাকেজ বাবদ ২২ লাখ ৫০ হাজার ভারতীয় রুপি (প্রায় ২৯ লাখ বাংলাদেশি টাকা) জমা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

তবে, মূল অস্ত্রোপচার, আইসিইউতে চিকিৎসা, ওষুধ এবং অপারেশন-পরবর্তী চিকিৎসাসহ মোট ব্যয় প্রায় ৬০ লাখ টাকা। এখনও সাড়ে ১৩ লাখ টাকা সংগ্রহ করা বাকি।

ইব্রাহিমের পরিবার জানিয়েছে, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং মানবিক সংগঠন এগিয়ে এলে সময়মতো অস্ত্রোপচার ও পরবর্তী চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তাদের বিশ্বাস, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় ছোট্ট ইব্রাহিম নতুন জীবন ফিরে পেতে পারে।

সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম

অ্যাকাউন্টের নাম: MD. IMRAN HOSEN JOY

ব্যাংক: BRAC Bank PLC

অ্যাকাউন্ট নম্বর: 1078469040001

শাখা: Mirpur Section-1

রাউটিং নাম্বার: 060261997 

সুইটফ কোড: BRAKBDDH

বিকাশ: 01761897797, 01779756812

নগদ: 01761897797

রকেট: 01779756812

আরএমএম/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow