বাড়ির গেটে ঝুলানো ছিল ‘বোমাসদৃশ’ তিন বস্তু, এলাকায় আতঙ্ক
সাতক্ষীরার কলারোয়ার চন্দনপুর গ্রামে একটি বাড়ির গেট ও রান্নাঘরের দরজাসহ বিভিন্ন স্থানে ‘বোমাসদৃশ’ তিনটি বস্তু ঝুলিয়ে রাখার ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার চন্দনপুর পশ্চিমপাড়ায় মৃত আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের আঁধারে কে বা কারা ওই বাড়ির প্রধান গেট, রান্নাঘরের দরজা এবং উঠানে লাল স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো তিনটি বস্তু বেঁধে রেখে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির সদস্য ও প্রতিবেশীরা এগুলো দেখতে পেয়ে ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন। খবর পেয়ে কলারোয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকাটি কর্ডন (ঘিরে রাখা) করে ফেলে। পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে তারা কোনো শব্দ বা সন্দেহজনক গতিবিধি টের পাননি। কে বা কেন এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা নিয়ে তারা অন্ধকারেই রয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহিন জানান, প্রাথমিকভাবে বস্তুগুলোকে হাতবোমা বা আইইডি (IED) সদৃশ মনে হচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওসি আরও নিশ্চিত করেন, সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকে খবর দেওয়া
সাতক্ষীরার কলারোয়ার চন্দনপুর গ্রামে একটি বাড়ির গেট ও রান্নাঘরের দরজাসহ বিভিন্ন স্থানে ‘বোমাসদৃশ’ তিনটি বস্তু ঝুলিয়ে রাখার ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার চন্দনপুর পশ্চিমপাড়ায় মৃত আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতের আঁধারে কে বা কারা ওই বাড়ির প্রধান গেট, রান্নাঘরের দরজা এবং উঠানে লাল স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো তিনটি বস্তু বেঁধে রেখে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির সদস্য ও প্রতিবেশীরা এগুলো দেখতে পেয়ে ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন। খবর পেয়ে কলারোয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকাটি কর্ডন (ঘিরে রাখা) করে ফেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে তারা কোনো শব্দ বা সন্দেহজনক গতিবিধি টের পাননি। কে বা কেন এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা নিয়ে তারা অন্ধকারেই রয়েছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহিন জানান, প্রাথমিকভাবে বস্তুগুলোকে হাতবোমা বা আইইডি (IED) সদৃশ মনে হচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ওসি আরও নিশ্চিত করেন, সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে এগুলো আসলে কী। এরপরই সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আহসানুর রহমান রাজীব/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?