বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ দীপিকার, কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নায়িকার প্রশ্ন

ভারতের মুম্বাইয়ের ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট শেয়ার করে শহরের বাতাসের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মুম্বাইয়ের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা একিউআইয়ের একটি তথ্যচিত্র শেয়ার করেন দীপিকা। সেখানে দেখা যায়, শহরের গড় একিউআই প্রায় ১৫০ এর কাছাকাছি। সিনেমাটির ওপর নিজের মন্তব্যও লিখেছেন তিনি। দীপিকার মতে, মুম্বাই শহরে বাতাসের গুণমান এতটাই খারাপ হয়ে উঠেছে যে শিশুদের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। এই পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ কেনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না, সে প্রশ্নও তোলেন এই অভিনেত্রী। তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে মুম্বাইয়ের বায়ুদূষণের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় বায়ুর গুণমান সূচক ‘খুব খারাপ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শহরের একিউআই ছিল প্রায় ২৩০ থেকে ২৫০ এর মধ্যে। ঘাটকোপার ও মুলুন্ডের মতো কয়েকটি এ

বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ দীপিকার, কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে নায়িকার প্রশ্ন

ভারতের মুম্বাইয়ের ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট শেয়ার করে শহরের বাতাসের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মুম্বাইয়ের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা একিউআইয়ের একটি তথ্যচিত্র শেয়ার করেন দীপিকা। সেখানে দেখা যায়, শহরের গড় একিউআই প্রায় ১৫০ এর কাছাকাছি। সিনেমাটির ওপর নিজের মন্তব্যও লিখেছেন তিনি।

দীপিকার মতে, মুম্বাই শহরে বাতাসের গুণমান এতটাই খারাপ হয়ে উঠেছে যে শিশুদের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। এই পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষ কেনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না, সে প্রশ্নও তোলেন এই অভিনেত্রী।

তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে মুম্বাইয়ের বায়ুদূষণের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় বায়ুর গুণমান সূচক ‘খুব খারাপ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শহরের একিউআই ছিল প্রায় ২৩০ থেকে ২৫০ এর মধ্যে।

ঘাটকোপার ও মুলুন্ডের মতো কয়েকটি এলাকায় এই মাত্রা প্রায় ২৯০ এর কাছাকাছি পৌঁছায়, যা গুরুতর বায়ুদূষণের ইঙ্গিত দেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিকল্পিতভাবে চলতে থাকা ব্যাপক নির্মাণকাজের কারণে শহরে দূষণের মাত্রা বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ধুলো নিয়ন্ত্রণের নিয়ম ভাঙার অভিযোগে বেশ কিছু নির্মাণস্থলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বৃহন্মুম্বাই পৌর কর্পোরেশন।

আরও পড়ুন:
প্রথম পোস্টারেই নজর কাড়লো ঈদের সিনেমা ‘রাক্ষস’ 
যে কারণে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে ‘ডাস্টবিন’ বললেন অপু বিশ্বাস 

জানা গেছে, নিয়ম লঙ্ঘনকারী নির্মাণ সংস্থাগুলোর কাছে কারণ জানতে চেয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দূষণ নিয়ন্ত্রণে মুম্বাইয়ের এক হাজারের বেশি নির্মাণ প্রকল্পের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে নির্মাণ সংস্থাগুলোকে নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনে চলার জন্য সতর্ক করেছে বম্বে হাইকোর্ট।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow