বিএনপির এক নেতা বহিষ্কার
নওগাঁর মান্দা উপজেলা বিএনপির সদস্য ও ১৩ নম্বর কশব ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মো. একরামুল হককে দল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) নওগাঁ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মামুনুর রহমান রিপনের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বহিষ্কারাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। চিঠি ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর মূল বক্তব্য বিকৃত করে একরামুল হক তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নিয়মিত অপপ্রচার চালিয়ে আসছিলেন। তার এসব কর্মকাণ্ডে দলের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, যা নওগাঁ জেলা বিএনপির দৃষ্টিগোচর হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙের দায়ে একরামুল হককে তার বর্তমান সব পদমর্যাদা থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে আজ থেকেই তাকে দলের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও নওগাঁ জেলা বি
নওগাঁর মান্দা উপজেলা বিএনপির সদস্য ও ১৩ নম্বর কশব ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মো. একরামুল হককে দল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
রোববার (১১ জানুয়ারি) নওগাঁ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মামুনুর রহমান রিপনের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বহিষ্কারাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
চিঠি ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর মূল বক্তব্য বিকৃত করে একরামুল হক তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নিয়মিত অপপ্রচার চালিয়ে আসছিলেন। তার এসব কর্মকাণ্ডে দলের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, যা নওগাঁ জেলা বিএনপির দৃষ্টিগোচর হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙের দায়ে একরামুল হককে তার বর্তমান সব পদমর্যাদা থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে আজ থেকেই তাকে দলের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়াও নওগাঁ জেলা বিএনপির আওতাধীন সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সদস্যদের তার সঙ্গে কোনো প্রকার দলীয় যোগাযোগ না রাখার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
What's Your Reaction?