বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
বগুড়ার ধুনটে তিন মামলার আসামি সোহানুর রহমান ওয়াসিম (৩২) নামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৭ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের নলডাঙা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহানুর রহমান ওয়াসিম মোফাজ্জল হোসেন মাস্টারের ছেলে এবং এলাঙ্গী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি।
সোহানুর রহমান ওয়াসিমের বিরুদ্ধে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর, যুবদল নেতার ওপর ককটেল হামলা এবং মশাল মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে তিনটি মামলা রয়েছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৭ জুন সন্ধ্যায় ধুনট পৌর এলাকার পশ্চিম ভারনশাহী গ্রামে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে কর্মিসভা চলাকালে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। হামলায় দলীয় কার্যালয় ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়। এ ঘটনায় গত বছরের ২৬ জানুয়ারি উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আশাদু
বগুড়ার ধুনটে তিন মামলার আসামি সোহানুর রহমান ওয়াসিম (৩২) নামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৭ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের নলডাঙা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহানুর রহমান ওয়াসিম মোফাজ্জল হোসেন মাস্টারের ছেলে এবং এলাঙ্গী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি।
সোহানুর রহমান ওয়াসিমের বিরুদ্ধে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর, যুবদল নেতার ওপর ককটেল হামলা এবং মশাল মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে তিনটি মামলা রয়েছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৭ জুন সন্ধ্যায় ধুনট পৌর এলাকার পশ্চিম ভারনশাহী গ্রামে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে কর্মিসভা চলাকালে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ, ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। হামলায় দলীয় কার্যালয় ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়। এ ঘটনায় গত বছরের ২৬ জানুয়ারি উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আশাদুল ইসলাম বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৭৮ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ধুনট থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ছাড়া গত বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের শহীদ মিনার চত্বরে মশাল মিছিল বের করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। এ সময় যুবদল নেতা রিপন শেখ ও তার সহযোগীরা বাধা দিলে তাদের লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় দুই দিন পর, ১৯ ফেব্রুয়ারি ধুনট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিপন শেখ বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৯৬ জন নেতাকর্মীকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
অপরদিকে, গত ৩০ নভেম্বর রাতে উপজেলার চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের ভুবনগাঁতি গ্রামের তিনমাথা এলাকায় আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মী মশাল মিছিল বের করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এ ঘটনায় ১০ ডিসেম্বর গোপালনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজু আহমেদ বাদী হয়ে ধুনট থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় ৩৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, এই তিনটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সোহানুর রহমান ওয়াসিম দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপর ছিল। অবশেষে শুক্রবার অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।