বিকেলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, রাতে আগুন

প্রায় ১৮ মাস পর খুলনায় দলীয় কার্যালয় খুলে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কিছু সময়ের মধ্যেই সেখানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরীর শঙ্খ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর খুলনা মহানগর ও জেলা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগের একদল নেতাকর্মী তালাবদ্ধ কার্যালয়ে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় তারা শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র ছবিতে মাল্যদান করেন এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে কয়েকটি মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তারা কিছু সময় অবস্থান করে ছবি টাঙিয়ে ও মাল্যদান করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যার পর একদল বিক্ষুব্ধ ছাত্র কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং কাঠের দরজা ও কাগজপত্রে আগুন দেয়। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, বিকে

বিকেলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, রাতে আগুন

প্রায় ১৮ মাস পর খুলনায় দলীয় কার্যালয় খুলে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কিছু সময়ের মধ্যেই সেখানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরীর শঙ্খ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর খুলনা মহানগর ও জেলা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগে রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগের একদল নেতাকর্মী তালাবদ্ধ কার্যালয়ে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় তারা শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র ছবিতে মাল্যদান করেন এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে কয়েকটি মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তারা কিছু সময় অবস্থান করে ছবি টাঙিয়ে ও মাল্যদান করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে সন্ধ্যার পর একদল বিক্ষুব্ধ ছাত্র কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং কাঠের দরজা ও কাগজপত্রে আগুন দেয়।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, বিকেলে কয়েকজন ব্যক্তি কার্যালয় খুলেছিল বলে জানা গেছে। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করছে। তিনি জানান, পরে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা এসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে এবং টাঙানো দুটি ছবি ভেঙে ফেলে। ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়ভাবে আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা বিরাজ করে এবং আশপাশের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow