বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো হাইকোর্টের সেই বিচারপতিকে
অসৌজন্যমূলক আচরণের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতির দপ্তর জানান, দুই সপ্তাহ আগে কুমিল্লায় ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে গিয়ে চিৎকার করতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এপেক্স ক্লাবের নির্বাচন বন্ধ করতে গিয়ে তার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে যে বেঞ্চ পুনর্গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি সেখানে তাকে কোনো বিচারিক ক্ষমতায় রাখা হয়নি। শুধু তাই নয় কজলিস্টের তালিকাতেও তাকে রাখা হয়নি। বিচারিক পরিভাষা বাদ দিয়ে প্রশাসনিক পরিভাষায় এই ক্ষমতা কেড়ে নেয়াকে ওএসডিও বলা যায়। উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল সকালে কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ২ মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানস্থলে ওই বিচারপতির সঙ্গে চরম তর্কবিতর্কে লিপ্ত হয়ে পড়েছেন অন্যান্য সদস্যরা। এ সময় বিচারপতি বিষয়টি বুঝাতে চেষ্টা করলেও কেউ তার কথার পাত্তা না দিয়েই পাল্টা কথা বলতে থাকেন। এ সময় কয়েক
অসৌজন্যমূলক আচরণের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতির দপ্তর জানান, দুই সপ্তাহ আগে কুমিল্লায় ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে গিয়ে চিৎকার করতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
এপেক্স ক্লাবের নির্বাচন বন্ধ করতে গিয়ে তার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে যে বেঞ্চ পুনর্গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি সেখানে তাকে কোনো বিচারিক ক্ষমতায় রাখা হয়নি।
শুধু তাই নয় কজলিস্টের তালিকাতেও তাকে রাখা হয়নি। বিচারিক পরিভাষা বাদ দিয়ে প্রশাসনিক পরিভাষায় এই ক্ষমতা কেড়ে নেয়াকে ওএসডিও বলা যায়।
উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল সকালে কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ২ মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানস্থলে ওই বিচারপতির সঙ্গে চরম তর্কবিতর্কে লিপ্ত হয়ে পড়েছেন অন্যান্য সদস্যরা। এ সময় বিচারপতি বিষয়টি বুঝাতে চেষ্টা করলেও কেউ তার কথার পাত্তা না দিয়েই পাল্টা কথা বলতে থাকেন।
এ সময় কয়েক বার ভুয়া ভুয়া স্লোগান শোনা যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত দেখে বিচারপতির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে ঘিরে রাখেন এবং একপর্যায়ে তিনি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
What's Your Reaction?