বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায়, হাসনাতের প্রশ্ন

‌‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?’ বলে প্রশ্ন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ৮ এপ্রিল ৩টা ৪৯ মিনিটে ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে তিনি এমন প্রশ্ন করেছেন। পোস্টের শুরুতেই হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, ‘২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে, কারণ তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে কিছু মতামত লিখেছিলেন।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এই জায়গাটাই সবচেয়ে চিন্তার। বিচারকদের নিজেদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটাও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?’ তিনি লিখেছেন, ‘স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, এটা স্পষ্টভাবে একটা ভয় দেখানোর চেষ্টা। বার্তাটা খুব পরিষ্কার: ‘চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন’।’ আরও পড়ুন‘হাসিনা ব্যবস্থার সবকিছুই দরকার, শুধু হাসিনা ছাড়া’  হাসনাত লিখেছেন, ‘৫ আগস্টের পর একটা সময় মনে হয়েছিল, বিচারকরা অন্তত কিছুটা সাহস নিয়ে ভাবতে, লিখতে পারছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। এখন যা হচ্ছে, তাতে সেই পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায়, হাসনাতের প্রশ্ন

‌‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?’ বলে প্রশ্ন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ৮ এপ্রিল ৩টা ৪৯ মিনিটে ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে তিনি এমন প্রশ্ন করেছেন।

পোস্টের শুরুতেই হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, ‘২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে, কারণ তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে কিছু মতামত লিখেছিলেন।’

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এই জায়গাটাই সবচেয়ে চিন্তার। বিচারকদের নিজেদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটাও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?’

তিনি লিখেছেন, ‘স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, এটা স্পষ্টভাবে একটা ভয় দেখানোর চেষ্টা। বার্তাটা খুব পরিষ্কার: ‘চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন’।’

হাসনাত লিখেছেন, ‘৫ আগস্টের পর একটা সময় মনে হয়েছিল, বিচারকরা অন্তত কিছুটা সাহস নিয়ে ভাবতে, লিখতে পারছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। এখন যা হচ্ছে, তাতে সেই পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। বিচার বিভাগে যদি এই ধরনের চাপ থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার জায়গাটাও দুর্বল হয়ে যায়।’

এই সংসদ সদস্য লিখেছেন, ‘এটা কোনো ব্যক্তির বিষয় না, এটা একটা সিস্টেমের বিষয়। বিচারকদের কণ্ঠ যদি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতিপূরণ পুরো দেশকেই দিতে হবে। এই সিদ্ধান্তটা অন্তত পুনর্বিবেচনা করা দরকার।’

সবশেষে হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, ‘বিচার বিভাগকে ভয় দেখিয়ে শক্তিশালী করা যায় না বরং দুর্বল করে ফেলা হয়।’

এসইউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow