বিদায়ী গভর্নর ও উপদেষ্টা নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত আমির

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নর ও তাঁর উপদেষ্টার মতো সম্মানিত ব্যক্তিদের অপমান করার অধিকার কারও নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্ট্যাটাসে জামায়াত আমির বলেন, আগের দিন বাংলাদেশ ব্যাংকে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা বর্তমান সরকার-সমর্থিত ‘মব-কালচার’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। তিনি একে দুর্ভাগ্যজনক ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও তাঁর উপদেষ্টার মতো দায়িত্বশীল ও সম্মানিত ব্যক্তিদের এভাবে হেয় করার অধিকার কারও নেই। ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, দেশ ইতোমধ্যে স্বৈরাচারী শাসনের প্রভাব, অর্থনৈতিক সংকট, সর্বস্তরে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কারণে চরম দুরবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে যদি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান—বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো জায়গায়—এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা চলতে থাকে, তবে অর্থনীতির অবশিষ্ট স্থিতিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি মনে করেন, এ ধরনের বি

বিদায়ী গভর্নর ও উপদেষ্টা নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত আমির

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নর ও তাঁর উপদেষ্টার মতো সম্মানিত ব্যক্তিদের অপমান করার অধিকার কারও নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্ট্যাটাসে জামায়াত আমির বলেন, আগের দিন বাংলাদেশ ব্যাংকে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা বর্তমান সরকার-সমর্থিত ‘মব-কালচার’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। তিনি একে দুর্ভাগ্যজনক ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও তাঁর উপদেষ্টার মতো দায়িত্বশীল ও সম্মানিত ব্যক্তিদের এভাবে হেয় করার অধিকার কারও নেই।

ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, দেশ ইতোমধ্যে স্বৈরাচারী শাসনের প্রভাব, অর্থনৈতিক সংকট, সর্বস্তরে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কারণে চরম দুরবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে যদি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান—বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো জায়গায়—এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা চলতে থাকে, তবে অর্থনীতির অবশিষ্ট স্থিতিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি মনে করেন, এ ধরনের বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সমাজের সব স্তর থেকে প্রতিবাদ জানানো উচিত। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে ‘মব’ সৃষ্টি করে দায়িত্বশীল, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নানামুখী হয়রানির ঘটনা ঘটছে।

বিরোধীদলীয় নেতা ফেসবুকে লিখেন, ‘আমি সরকারকে স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, সত্যিকারভাবে একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হলে এসব অপতৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। একইসাথে, দলীয় আনুগত্য নয়; যোগ্যতার ভিত্তিতে দেশপ্রেমিক ও উপযুক্ত ব্যক্তিদেরকে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow