বিদেশিদের অবৈধ ক্লিনিক ব্যবসা বন্ধে অভিযান চালাবে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন

বিদেশি নাগরিকদের পরিচালিত অবৈধ ক্লিনিক ব্যবসা বন্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। বুধবার ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে বিভাগটি শুধু একক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে না। বরং ধারাবাহিক আইন প্রয়োগ, আন্তঃসংস্থার সমন্বয় এবং স্থানীয় কমিউনিটির সম্পৃক্ততার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করা হবে, যেন এসব কার্যক্রম স্থায়ীভাবে দমন করা যায়। তিনি বলেন, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও তদারকি বাড়ানো হবে। যেন এ ধরনের অবৈধ ক্লিনিক কার্যক্রম ধারাবাহিক ও সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করা যায়। এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, রয়্যাল মালয়েশিয়ান কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে। জাকারিয়া শাবান বলেন, সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে লাইসেন্সিং, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড—সব দিক থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। শুধু ইমিগ্রেশন আইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে

বিদেশিদের অবৈধ ক্লিনিক ব্যবসা বন্ধে অভিযান চালাবে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন

বিদেশি নাগরিকদের পরিচালিত অবৈধ ক্লিনিক ব্যবসা বন্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ।

বুধবার ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানান, এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে বিভাগটি শুধু একক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে না। বরং ধারাবাহিক আইন প্রয়োগ, আন্তঃসংস্থার সমন্বয় এবং স্থানীয় কমিউনিটির সম্পৃক্ততার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করা হবে, যেন এসব কার্যক্রম স্থায়ীভাবে দমন করা যায়।

তিনি বলেন, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও তদারকি বাড়ানো হবে। যেন এ ধরনের অবৈধ ক্লিনিক কার্যক্রম ধারাবাহিক ও সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করা যায়।

এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, রয়্যাল মালয়েশিয়ান কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।

জাকারিয়া শাবান বলেন, সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে লাইসেন্সিং, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড—সব দিক থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। শুধু ইমিগ্রেশন আইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় ইমিগ্রেশন বিভাগের এখতিয়ারের বাইরে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।

তার মতে, সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। যেন অভিযান শুধু সাময়িক না হয়ে ভবিষ্যতে অবৈধ বা ভুয়া ক্লিনিক পুনরায় গড়ে ওঠা রোধে কার্যকর প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করে।

এদিকে,মালয়েশিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, এর আগে ভুয়া চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং রোগীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেছে।

জনসাধারণকে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের তথ্য সরকারি নির্ধারিত চ্যানেলের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। যেন দ্রুত ও লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow