বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ২৭ পরিবারকে জেলা বিএনপির খাদ্য সহায়তা

টানা বর্ষণে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ভিমরুল্লা গ্রামের জেলখানা-সংলগ্ন পাড়ায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে বসতবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় ২৭টি পরিবারের ১১৮ জন নারী, পুরুষ ও শিশু চরম দুর্ভোগে পড়েন। পরিস্থিতির অবনতি হলে তারা ভিমরুল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেন। পরিবারগুলোর দুর্ভোগের খবর পেয়ে তাদের খোঁজখবর নিতে আশ্রয়কেন্দ্রে যান চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের হাতে এক বস্তা করে চালসহ এক মাসের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মো. শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব। দুর্যোগে যারা অসহায় অবস্থায় রয়েছেন, তাদের কষ্ট লাঘবে জেলা বিএনপি সবসময় মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাবে এবং ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। আশ্রয় নেওয়া এক নারী বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে ঘরের ভেতরে কোমরসমান পানি উঠে গেছে। ছোটো ছোটো সন্তান নিয়ে কোথাও থাকার জায়গা ছিল না। বাধ্য হয়ে বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছি। আজ খাদ্যসামগ্রী পেয়ে অন্তত কয়েকদিনের চিন

বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ২৭ পরিবারকে জেলা বিএনপির খাদ্য সহায়তা

টানা বর্ষণে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ভিমরুল্লা গ্রামের জেলখানা-সংলগ্ন পাড়ায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে বসতবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় ২৭টি পরিবারের ১১৮ জন নারী, পুরুষ ও শিশু চরম দুর্ভোগে পড়েন। পরিস্থিতির অবনতি হলে তারা ভিমরুল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেন।

পরিবারগুলোর দুর্ভোগের খবর পেয়ে তাদের খোঁজখবর নিতে আশ্রয়কেন্দ্রে যান চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের হাতে এক বস্তা করে চালসহ এক মাসের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে মো. শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব। দুর্যোগে যারা অসহায় অবস্থায় রয়েছেন, তাদের কষ্ট লাঘবে জেলা বিএনপি সবসময় মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাবে এবং ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

আশ্রয় নেওয়া এক নারী বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে ঘরের ভেতরে কোমরসমান পানি উঠে গেছে। ছোটো ছোটো সন্তান নিয়ে কোথাও থাকার জায়গা ছিল না। বাধ্য হয়ে বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছি। আজ খাদ্যসামগ্রী পেয়ে অন্তত কয়েকদিনের চিন্তা কিছুটা কমেছে।’

অপর আশ্রয়প্রার্থী আব্দুস সালাম বলেন, ‘বাড়ির সব জিনিসপত্র পানিতে ডুবে গেছে। রান্না করারও কোনো উপায় ছিল না। এমন সময়ে আমাদের খোঁজ নিয়ে যে সহায়তা করা হয়েছে, তা সত্যিই অনেক উপকারে আসবে।’

এ সময় জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন।

হুসাইন মালিক/এসজেডএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow