‘বিদ্যুৎ খাতে নীতি দুর্বলতার বোঝা জনগণের ওপরে চাপানো যাবে না’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ‘সরকার বিদ্যুতের দাম আবারও বাড়িয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে নীতি দুর্বলতা, দুর্নীতি ও অদক্ষতার দায় জনগণের ওপরে চাপানো যাবে না।’ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘সরকার পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়িয়েছে। ইতোমধ্যেই কয়েক দফা জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। অথচ গত মার্চের শুরুতে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না। মানুষ আশায় বুক বেঁধেছিল। দাম বৃদ্ধি তাদের হতাশ করেছে। মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতের নীতি ভ্রষ্টতা, দুর্নীতি ও স্বার্থ-বিরুদ্ধ চুক্তি দ্রুত পর্যালোচনা করে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শুধু দাম বাড়িয়ে জনতার ওপরে বোঝা চাপানো যাবে না।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ‘সরকার বিদ্যুতের দাম আবারও বাড়িয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে নীতি দুর্বলতা, দুর্নীতি ও অদক্ষতার দায় জনগণের ওপরে চাপানো যাবে না।’
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘সরকার পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়িয়েছে। ইতোমধ্যেই কয়েক দফা জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। অথচ গত মার্চের শুরুতে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, আপাতত বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না। মানুষ আশায় বুক বেঁধেছিল। দাম বৃদ্ধি তাদের হতাশ করেছে। মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতের নীতি ভ্রষ্টতা, দুর্নীতি ও স্বার্থ-বিরুদ্ধ চুক্তি দ্রুত পর্যালোচনা করে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শুধু দাম বাড়িয়ে জনতার ওপরে বোঝা চাপানো যাবে না।’
What's Your Reaction?