বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেড়েছে, জ্বালানি সংকটও অসহনীয় পর্যায়ে

বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা বলেছেন, গতকাল বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১৩,৬৮১ মেগাওয়াট। ২০৮৬ মেগাওয়াটের মতো আমাদের লোডশেডিং হয়েছে। আমাদের ফোরকাস্টিং (পূর্বাভাস) হিসেবে দেখেছি, আজকে চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াটের মতো। বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বেড়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে গরমও। সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। অন্যদিকে জ্বালানি সংকটও অনেক বেশি অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছি, এসি ব্যবহার করছি—যার কারণে বিদ্যুতের সার্বিক চাহিদা বেড়ে গেছে। আজকে উৎপাদনের প্রজেকশনে দেখা যাচ্ছে আমরা প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারব। তারপরও দেখা যাচ্ছে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকবে।’ বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আদানি থেকে আমরা যে বিদ্যুৎ এনে থাকি, কারিগরি ত্রুটির কারণে তার একটি ইউনিট বন্ধ। আগামী ২৬ এপ্রিল সেকেন্ড ইউনিট ঠিক হলে আমরা বিদ্যুৎ পাবো। বাঁশখালীতে এসএস পাওয়ারের একটি আইপিপি প্ল্যান্ট আছে। সেখানেও এ

বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেড়েছে, জ্বালানি সংকটও অসহনীয় পর্যায়ে

বিদ্যুৎ বিভাগের পরিকল্পনা-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা বলেছেন, গতকাল বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১৩,৬৮১ মেগাওয়াট। ২০৮৬ মেগাওয়াটের মতো আমাদের লোডশেডিং হয়েছে। আমাদের ফোরকাস্টিং (পূর্বাভাস) হিসেবে দেখেছি, আজকে চাহিদা ১৭ হাজার মেগাওয়াটের মতো। বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বেড়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে গরমও। সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। অন্যদিকে জ্বালানি সংকটও অনেক বেশি অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছি, এসি ব্যবহার করছি—যার কারণে বিদ্যুতের সার্বিক চাহিদা বেড়ে গেছে। আজকে উৎপাদনের প্রজেকশনে দেখা যাচ্ছে আমরা প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারব। তারপরও দেখা যাচ্ছে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকবে।’

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আদানি থেকে আমরা যে বিদ্যুৎ এনে থাকি, কারিগরি ত্রুটির কারণে তার একটি ইউনিট বন্ধ। আগামী ২৬ এপ্রিল সেকেন্ড ইউনিট ঠিক হলে আমরা বিদ্যুৎ পাবো। বাঁশখালীতে এসএস পাওয়ারের একটি আইপিপি প্ল্যান্ট আছে। সেখানেও একটি ইউনিট বিকল হওয়ার কারণে প্রায় সাড়ে ছয়শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম পাচ্ছি। আগামী ২৮ এপ্রিলের দিকে এটিও ঠিক হয়ে যাবে। এ সময় আমরা প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ দিতে পারবো।

আমরা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছি, এসি ব্যবহার করছি—যার কারণে বিদ্যুতের সার্বিক চাহিদা বেড়ে গেছে। আজকে উৎপাদনের প্রজেকশনে দেখা যাচ্ছে আমরা প্রায় ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারব। তারপরও দেখা যাচ্ছে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকবে।

যুগ্মসচিব জানান, আরএনপিএলের (পায়রা) একটি কেন্দ্র বন্ধ আছে। কয়লা আমদানি করে আনতে হয়। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে কয়লা আসবে। এতে সব মিলিয়ে আমরা প্রায় ১৯৮২ মেগাওয়াট বাড়তি বিদ্যুৎ দিতে পারবো। তখন মানুষের সংকট কিছুটা নিরসন করতে পারবো বলে আশা করছি।

এনএস/এসএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow