বিপথগামীর জন্য কারাগার হবে সংশোধনাগার : কারা মহাপরিদর্শক
কারাগার কেবল অপরাধীদের বন্দি করে রাখার স্থান নয় বরং একজন বিপথগামীর জন্য এটি হবে প্রকৃত সংশোধনাগার— এমন মন্তব্য করেছেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন। তিনি বলেন, কারা বিভাগ একটি সুপ্রাচীন ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। এ বিভাগের মূল লক্ষ্য হলো বন্দিদের সংশোধনের মাধ্যমে আলোর পথে ফিরিয়ে আনা। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘৬৩তম ব্যাচ কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স’ -এর সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে জেলের যাত্রা শুরু হয়। সময়ের ধারাবাহিকতায় এ প্রতিষ্ঠানকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও জনসেবামুখী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ‘কারারক্ষীর জীবন শুধু একটি চাকরি নয়, এটি একটি সুবিন্যস্ত জীবনব্যবস্থা’— এ কথা মনে করিয়ে দিয়ে মোতাহের হোসেন নবীন কারারক্ষীদের বলেন, তোমরা এ পর্যন্ত যে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছ, তা ছিল কারারক্ষী জীবনে পদার্পণ করার জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণমাত্র। এ প্রশিক্ষণের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তোমরা যেভাবে নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও দৃঢ়ত
কারাগার কেবল অপরাধীদের বন্দি করে রাখার স্থান নয় বরং একজন বিপথগামীর জন্য এটি হবে প্রকৃত সংশোধনাগার— এমন মন্তব্য করেছেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন। তিনি বলেন, কারা বিভাগ একটি সুপ্রাচীন ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। এ বিভাগের মূল লক্ষ্য হলো বন্দিদের সংশোধনের মাধ্যমে আলোর পথে ফিরিয়ে আনা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘৬৩তম ব্যাচ কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স’ -এর সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে জেলের যাত্রা শুরু হয়। সময়ের ধারাবাহিকতায় এ প্রতিষ্ঠানকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও জনসেবামুখী হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
‘কারারক্ষীর জীবন শুধু একটি চাকরি নয়, এটি একটি সুবিন্যস্ত জীবনব্যবস্থা’— এ কথা মনে করিয়ে দিয়ে মোতাহের হোসেন নবীন কারারক্ষীদের বলেন, তোমরা এ পর্যন্ত যে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছ, তা ছিল কারারক্ষী জীবনে পদার্পণ করার জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণমাত্র। এ প্রশিক্ষণের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তোমরা যেভাবে নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে আত্মনিয়োগ করেছ, তা সত্যিই প্রশংসনীয় ও উৎসাহব্যঞ্জক।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সমাপনী কুচকাওয়াজে মোট ৬৮৭ জন নবীন কারারক্ষী অংশ নেন। সার্বিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠ নবীন কারারক্ষী নির্বাচিত হন মো. তানভীন আহমেদ। এ ছাড়াও ড্রিলে মো. রাকিব মিয়া, পিটিতে মো. বাপ্পি হোসেন, ফায়ারিংয়ে দ্বিপংকর দাস, অস্ত্রবিহীন যুদ্ধে মো. রনি হোসেন এবং অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে মো. রিয়ন ইসলাম রোকন শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মো. তানভীর হোসেন এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রাজশাহী সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল সৈয়দ কামাল হোসেন।
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, নবীন কারারক্ষীদের অভিভাবক, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
What's Your Reaction?