বিপ্লবের গল্প শুনে দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে না: মীর হেলাল
বিপ্লবের গল্প শুনে দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, এজন্য প্রয়োজন দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে কাজ করা এবং দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই নেতৃত্বই দিচ্ছেন। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) এই সভার আয়োজন করে। আরও পড়ুন সমাজকল্যাণমন্ত্রী / যারা পালিয়ে গেছে তারা বসে নেই, তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা আশপাশেই আছে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অন্তর থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করেন। তিনি কর্মের মাধ্যমে শহীদদের যথাযথ মর্যাদা ও মূল্যায়নের চেষ্টা করছেন। বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর হেলাল বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যারা সরকার পরিচালনা করেছেন এবং যাদের প্রভা
বিপ্লবের গল্প শুনে দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
তিনি বলেন, এজন্য প্রয়োজন দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে কাজ করা এবং দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই নেতৃত্বই দিচ্ছেন।
রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (জেটেব) এই সভার আয়োজন করে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অন্তর থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করেন। তিনি কর্মের মাধ্যমে শহীদদের যথাযথ মর্যাদা ও মূল্যায়নের চেষ্টা করছেন।
বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর হেলাল বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যারা সরকার পরিচালনা করেছেন এবং যাদের প্রভাবে সরকার পরিচালিত হয়েছে, তারা জুলাই স্পিরিট, অর্থাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আবেগ, অনুভূতি ও চেতনা, সমুন্নত রাখতে পারেননি। একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে গিয়ে তারা জুলাই শহীদদের অবমাননা করেছেন বলে আমি মনে করি।
তিনি বলেন, যাদের স্মরণে আজ আমরা কিছু কথা বলতে দাঁড়িয়েছি, যাদের বাবা-মায়ের আর্তনাদ আমরা শুনেছি, এরকম হাজার হাজার, লাখ লাখ আর্তনাদ আমাদের গত ১৭ বছর শুনতে হয়েছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী নৃশংসভাবে হত্যা, গুমের শিকার হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাই নয়, এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গত ১৭ বছরে যারা বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ করেছেন, তারাও গুম, খুন, হামলা-মামলা ও কারানির্যাতন থেকে মুক্তি পাননি।
মীর হেলাল বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি একটি ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ, জনরোষ ও প্রতিবাদের চূড়ান্ত ফলাফল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো গণঅভ্যুত্থান কোনো এক ব্যক্তি বা এক গোষ্ঠীর মাধ্যমে সম্ভব হয় না। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ, গণতন্ত্রপ্রেমী ও দেশপ্রেমিক মানুষ, যখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, তখনই এই গণবিস্ফোরণের মুখে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি বলেন, জুলাই শহীদদের পাশাপাশি ওই অবৈধ সরকারের ১৭ বছরের শাসনামলে আমাদের দলের নেতাকর্মীসহ মতবিরোধী হাজার হাজার মানুষের শহীদ হওয়ার কাহিনীও এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পেছনে কাজ করেছে।
মীর হেলাল বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে আমাদের উপলব্ধি হওয়া দরকার- দেশপ্রেমকে সমুন্নত রেখে, দেশের মানুষের স্বার্থকে সবার ঊর্ধ্বে রেখে দেশ পরিচালনায় আত্মনিয়োগ করা। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা দিন-রাত সেই কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি সবাইকে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
জেটেবের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এবিএম রুহুল আমীন আকন্দের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এসময় সংগঠনটির নেতাকর্মী ও জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কেএইচ/ইএ
What's Your Reaction?

