বিমানবন্দরে ৮৩ লাখ টাকার স্বর্ণ ও ৯ হাজার ডলারসহ গ্রেপ্তার ১
হজ কাফেলার মোয়াল্লেম মফিদুল ইসলাম (৪৩)-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ। তার কাছ থেকে প্রায় ৮৩ লাখ টাকার স্বর্ণ এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২-এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ৪৯৯.১ গ্রাম স্বর্ণ, যার মূল্য ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা, উদ্ধার করা হয়। এছাড়া উদ্ধার করা হয় ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, ১ হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড, ১৫০ রোমানিয়ান লিউ এবং ৮০ হাজার ১১৭ টাকা। মফিদুল ইসলাম খুলনা জেলার লবণচরা থানার বাসিন্দা এবং তিনি হজ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি সৌদি আরব থেকে এসভি-৮০৮ ফ্লাইটে করে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান। এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। আটক করার সময় তিনি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে এপিবিএন কার্যালয়ে নিয়ে শরীর ও তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি চালিয়ে স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রাগুলো উদ্ধার করা হয়। মফিদুল ই
হজ কাফেলার মোয়াল্লেম মফিদুল ইসলাম (৪৩)-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ। তার কাছ থেকে প্রায় ৮৩ লাখ টাকার স্বর্ণ এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২-এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ৪৯৯.১ গ্রাম স্বর্ণ, যার মূল্য ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা, উদ্ধার করা হয়। এছাড়া উদ্ধার করা হয় ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, ১ হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড, ১৫০ রোমানিয়ান লিউ এবং ৮০ হাজার ১১৭ টাকা।
মফিদুল ইসলাম খুলনা জেলার লবণচরা থানার বাসিন্দা এবং তিনি হজ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি সৌদি আরব থেকে এসভি-৮০৮ ফ্লাইটে করে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। আটক করার সময় তিনি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে এপিবিএন কার্যালয়ে নিয়ে শরীর ও তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি চালিয়ে স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রাগুলো উদ্ধার করা হয়।
মফিদুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এপিবিএন জানিয়েছে, উদ্ধার স্বর্ণালংকারসমূহ বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে এনেছে।
মফিদুল দীর্ঘদিন বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত এবং রিসিভার হিসেবে কাজ করে আসছিলেন বলে জানা যায়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, ‘বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বরাবরের মতোই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানের অপতৎপরতা রোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বদ্ধপরিকর।
বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো চোরাচালান রোধে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
What's Your Reaction?