বিরল প্রবালের নেকলেসে ঝলমলে আলিয়া
আলিয়া ভাট ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় হাঁটলেন, তখন ক্যামেরার ফ্ল্যাশ যেন কয়েক সেকেন্ডের জন্য থমকে গিয়েছিল তার গলার দিকেই। কারণ পোশাকের সৌন্দর্যকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্র হয়ে ওঠে এক দুর্লভ গোলাপি প্রবাল ও হীরাখচিত স্টেটমেন্ট নেকলেস, যার মূল্য নিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন অঙ্গনে এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে তুমুল কৌতূহল। কেউ বলছেন এটি ‘রয়্যাল এলিগ্যান্স’, কেউ বলছেন ‘ওভারস্টাইলড’, আবার অনেকে মনে করছেন, আলিয়া এই লুকে নিরাপদ খেলেছেন। তবে সমালোচনা যাই থাকুক, একটি বিষয় স্পষ্ট: কান উৎসবের প্রথম দিনের অন্যতম আলোচিত ফ্যাশন মুহূর্তের মালিক এখন আলিয়াই। এই নেকলেসের সবচেয়ে বিশেষ দিক হলো এর দুর্লভ গোলাপি প্রবাল। সাধারণ প্রবালের চেয়ে এই ধরনের গোলাপি প্রবাল অনেক বেশি বিরল এবং বিলাসবহুল গয়নায় এর ব্যবহারও খুব সীমিত। নরম গোলাপি আভা, তার সঙ্গে সাদা হীরার জ্যোতি-সব মিলিয়ে গয়নায় তৈরি হয়েছে এমন এক ভারসাম্য, যা একই সঙ্গে কোমল এবং রাজকীয়। এই নেকলেসটি তৈরি করেছে দুই ভিন্ন জগতের দুই ব্র্যান্ড। সুইস লাক্সারি ব্র্যান্ড চোপার্ড ও ভারতের জয়পুরের আমরাপালি জুয়েলার্স। একদিকে সুইজারল্যান্ডের বিলাসবহুল গয়নার সূক্ষ্মতা, অন্যদি
আলিয়া ভাট ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় হাঁটলেন, তখন ক্যামেরার ফ্ল্যাশ যেন কয়েক সেকেন্ডের জন্য থমকে গিয়েছিল তার গলার দিকেই। কারণ পোশাকের সৌন্দর্যকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্র হয়ে ওঠে এক দুর্লভ গোলাপি প্রবাল ও হীরাখচিত স্টেটমেন্ট নেকলেস, যার মূল্য নিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন অঙ্গনে এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে তুমুল কৌতূহল।
কেউ বলছেন এটি ‘রয়্যাল এলিগ্যান্স’, কেউ বলছেন ‘ওভারস্টাইলড’, আবার অনেকে মনে করছেন, আলিয়া এই লুকে নিরাপদ খেলেছেন। তবে সমালোচনা যাই থাকুক, একটি বিষয় স্পষ্ট: কান উৎসবের প্রথম দিনের অন্যতম আলোচিত ফ্যাশন মুহূর্তের মালিক এখন আলিয়াই।
এই নেকলেসের সবচেয়ে বিশেষ দিক হলো এর দুর্লভ গোলাপি প্রবাল। সাধারণ প্রবালের চেয়ে এই ধরনের গোলাপি প্রবাল অনেক বেশি বিরল এবং বিলাসবহুল গয়নায় এর ব্যবহারও খুব সীমিত।
নরম গোলাপি আভা, তার সঙ্গে সাদা হীরার জ্যোতি-সব মিলিয়ে গয়নায় তৈরি হয়েছে এমন এক ভারসাম্য, যা একই সঙ্গে কোমল এবং রাজকীয়।
এই নেকলেসটি তৈরি করেছে দুই ভিন্ন জগতের দুই ব্র্যান্ড। সুইস লাক্সারি ব্র্যান্ড চোপার্ড ও ভারতের জয়পুরের আমরাপালি জুয়েলার্স।
একদিকে সুইজারল্যান্ডের বিলাসবহুল গয়নার সূক্ষ্মতা, অন্যদিকে ভারতের জয়পুরের ঐতিহ্যবাহী রত্নশিল্প। এই সহযোগিতা আসলে শুধু একটি গয়না তৈরি করেনি; এটি তৈরি করেছে সাংস্কৃতিক ফিউশন।
আরও পড়ুন:
- কানের লালগালিচায় প্রথম রাতেই নজর কাড়লেন আলিয়া
- কানের সাগরপাড়ে রূপকথার আবহে আলিয়া
- রুপালি ঝলকে রহস্যময় উর্বশী, কান মাতালেন অর্ধচন্দ্রের মোহে
জয়পুর দীর্ঘদিন ধরেই রত্ন ও হস্তনির্মিত অলংকারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। অন্যদিকে চোপার্ড আন্তর্জাতিক রেড কার্পেট গ্ল্যামারের অন্যতম বড় নাম। ফলে এই যৌথ নির্মাণে যে ব্যতিক্রমী কিছু থাকবে, সেটাই ছিল প্রত্যাশিত।
আলিয়ার পুরো লুক তৈরিতে কাজ করেছে ১৫ জনের একটি দল। পোশাক, গয়না, হেয়ার, স্কিন, মেকআপ-সবকিছু মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছিল একটি ‘সফট লাক্সারি’ ইমেজ। তার মেকআপে ছিল ন্যুড টোন, স্কিন-ফোকাসড গ্লো এবং মিনিমাল চোখের সাজ। চুলও রাখা হয়েছিল নিয়ন্ত্রিত ও পরিশীলিত। ফলে পুরো ফোকাস গিয়েছিল নেকলেসের দিকে।
কান চলচ্চিত্র উৎসব বহু আগেই সিনেমার গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের অন্যতম বড় ফ্যাশন মঞ্চে পরিণত হয়েছে। এখানে প্রতিটি উপস্থিতি আসলে একটি ‘ভিজ্যুয়াল ন্যারেটিভ’। কে কী পরলেন, কোন ব্র্যান্ড বেছে নিলেন, কোন রঙ ব্যবহার করলেন-সবকিছুই এখন সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক আলোচনার অংশ।
আলিয়ার এই উপস্থিতিও ঠিক তেমন। এটি শুধু একটি লুক নয়; বরং ভারতীয় তারকাদের আন্তর্জাতিক ফ্যাশন অবস্থানকে আরও দৃশ্যমান করার একটি প্রচেষ্টা।
জেএস/
What's Your Reaction?