বিলাসবহুল জীবনযাপন প্রসঙ্গে বাঁধনের খোলামেলা মন্তব্য

এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন ‘জাগো তারকা’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ব্যক্তি জীবন, ক্যারিয়ার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া নানা আলোচনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। আলোচনার একপর্যায়ে বাঁধনকে প্রশ্ন করা হয় ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের প্রসসেঙ্গ। জবাবে অভিনেত্রী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি শ্রেণি মনে করে বাঁধন বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন এবং তার বিপুল অর্থসম্পদ রয়েছে। এমন মন্তব্যের জবাবে রসিকতার ছলে প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই বলেন বাঁধন নাকি ২০০ কোটি সম্পতির মালিক। এমন প্রশ্নে বাঁধন রসিকতা করে বলেন, ‘২০০ কোটি টাকা কি অনেক টাকা? সেটাও আমি জানি না।’ এরপর আরও মজা করে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি এতই গরিব যে ২০০ কোটি টাকা যে কম টাকা, সেটাও বুঝতে পারছি না।’ অনুষ্ঠানে বাঁধন আরও জানান, এখনও তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকেন। শুধু তাই নয়, তিনি তাদের গাড়িতেই চলাফেরা করেন। এ অভিনেত্রী বলেন, ‘আজকে আমি তোমাদের (জাগো নিউজের) স্টুডিওতেও এসেছি তোমাদের ট্রান্সপোর্টের গাড়িতে।’ ঈদ উদযাপন নিয়েও স্মৃতিচারণ করেন

বিলাসবহুল জীবনযাপন প্রসঙ্গে বাঁধনের খোলামেলা মন্তব্য

এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন ‘জাগো তারকা’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ব্যক্তি জীবন, ক্যারিয়ার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া নানা আলোচনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

আলোচনার একপর্যায়ে বাঁধনকে প্রশ্ন করা হয় ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের প্রসসেঙ্গ। জবাবে অভিনেত্রী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি শ্রেণি মনে করে বাঁধন বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন এবং তার বিপুল অর্থসম্পদ রয়েছে। এমন মন্তব্যের জবাবে রসিকতার ছলে প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেত্রী।

শুধু তাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই বলেন বাঁধন নাকি ২০০ কোটি সম্পতির মালিক। এমন প্রশ্নে বাঁধন রসিকতা করে বলেন, ‘২০০ কোটি টাকা কি অনেক টাকা? সেটাও আমি জানি না।’

এরপর আরও মজা করে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি এতই গরিব যে ২০০ কোটি টাকা যে কম টাকা, সেটাও বুঝতে পারছি না।’

অনুষ্ঠানে বাঁধন আরও জানান, এখনও তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকেন। শুধু তাই নয়, তিনি তাদের গাড়িতেই চলাফেরা করেন। এ অভিনেত্রী বলেন, ‘আজকে আমি তোমাদের (জাগো নিউজের) স্টুডিওতেও এসেছি তোমাদের ট্রান্সপোর্টের গাড়িতে।’

ঈদ উদযাপন নিয়েও স্মৃতিচারণ করেন বাঁধন। তিনি জানান, ছোটবেলায় কোরবানির ঈদ মানেই ছিল গ্রামের বাড়িতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটানো। তিনি আরও বলেন, ‘ঘুরতে যাওয়া হয় মূলত আত্মীয়-স্বজনদের বাসায়। বিশেষ করে আমার বড় মামার বাসায় যাওয়া হয়। খালাতো ভাইয়েরা আদাবরে থাকে, কখনো সেখানে যাই। আবার উত্তরখানে চাচাদের বাসায়ও যাওয়া হয়।’

বিলাসবহুল জীবনযাপন প্রসঙ্গে বাঁধনের খোলামেলা মন্তব্য

গ্রামের ঈদের স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘আগে আমরা কোরবানির ঈদে গ্রামে গিয়ে ঈদ করতাম। আমাদের গ্রাম মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে। ছোটবেলায় গ্রামের ঈদটাই ছিল আলাদা এক উৎসব। বাবা সরকারি চাকরি করতেন, মফস্বলে পোস্টিং ছিল। সেখান থেকে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ঈদ করার আনন্দটা অন্যরকম ছিল।’

তবে সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র বদলে গেছে বলেও জানান তিনি। বাঁধনের ভাষায়, ‘এখন আর গ্রামে সেভাবে কেউ থাকে না, তাই যাওয়া হয় না। আসলে এখন ঈদের আনন্দটা অনেকটাই দায়িত্বে পরিণত হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
‘তুমি ছাড়া আমার জীবনে আর ঈদ আসে না’, মাকে নিয়ে আবেগঘন শুভ
কোরবানির গোশত কাটছেন অপু বিশ্বাস, ভিডিও ভাইরাল

রোজার ঈদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে রোজার ঈদের সবচেয়ে বড় আনন্দ ছিল সিনেমা হলে যাওয়া। বিশেষ করে “বনলতা এক্সপ্রেস” দেখার আনন্দটা এখনও মনে আছে।’

ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে শৈশবের ঈদ-সবকিছু নিয়েই বরাবর খোলামেলা কথা বলতে দেখা যায় বাঁধনকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সম্পর্ক, বিয়ে ও জীবনের নানা বাস্তবতা নিয়ে নিজের ভাবনা অকপটভাবেই তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী।

এমএমএফ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow