‘বিশ্বকাপের সবচেয়ে বোকা ফুটবলার এমবোলো’

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টায় থাকা সুইজারল্যান্ড বড় ধাক্কা খায় ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ডে। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। তবে ঘটনাটি শুধু লাল কার্ডের কারণেই আলোচনায় আসেনি, বরং এম্বোলোর একটি ব্যর্থ ডাইভ (ফাউলের ভান) পরিস্থিতিকে আরও নাটকীয় করে তোলে। ইতোমধ্যেই একটি হলুদ কার্ড থাকা এম্বোলো পেনাল্টি আদায়ের উদ্দেশ্যে বক্সে পড়ে যাওয়ার অভিনয় করেন। রেফারি প্রথমে ঘটনাটি ভুলভাবে মূল্যায়ন করে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান। কিন্তু পরে ভিএআর (ভিএআর) রেফারিকে জানায় যে খেলোয়াড় শনাক্তকরণে ভুল হয়েছে। কারণ, হলুদ কার্ড পাওয়ার কথা ছিল এমবোলোর, পারেদেসের নয়। ভিডিও রিপ্লে দেখার পর রেফারি নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন এবং এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেন। নিয়ম অনুযায়ী, রেফারি যদি প্রথমে কোনো হলুদ কার্ডই না দেখাতেন, তাহলে ভিএআর এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করতে পারতো না। কিন্তু ভুল খেলোয়াড়কে সতর্ক করায় ‘ভুল পরিচয় শনাক্তকরণ’ হিসেবে ভিএআর রিভিউয়ের সুযোগ পায়। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম্বোলোর সমালোচনার

‘বিশ্বকাপের সবচেয়ে বোকা ফুটবলার এমবোলো’

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টায় থাকা সুইজারল্যান্ড বড় ধাক্কা খায় ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ডে। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। তবে ঘটনাটি শুধু লাল কার্ডের কারণেই আলোচনায় আসেনি, বরং এম্বোলোর একটি ব্যর্থ ডাইভ (ফাউলের ভান) পরিস্থিতিকে আরও নাটকীয় করে তোলে।

ইতোমধ্যেই একটি হলুদ কার্ড থাকা এম্বোলো পেনাল্টি আদায়ের উদ্দেশ্যে বক্সে পড়ে যাওয়ার অভিনয় করেন। রেফারি প্রথমে ঘটনাটি ভুলভাবে মূল্যায়ন করে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান।

কিন্তু পরে ভিএআর (ভিএআর) রেফারিকে জানায় যে খেলোয়াড় শনাক্তকরণে ভুল হয়েছে। কারণ, হলুদ কার্ড পাওয়ার কথা ছিল এমবোলোর, পারেদেসের নয়। ভিডিও রিপ্লে দেখার পর রেফারি নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন এবং এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করেন।

নিয়ম অনুযায়ী, রেফারি যদি প্রথমে কোনো হলুদ কার্ডই না দেখাতেন, তাহলে ভিএআর এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করতে পারতো না। কিন্তু ভুল খেলোয়াড়কে সতর্ক করায় ‘ভুল পরিচয় শনাক্তকরণ’ হিসেবে ভিএআর রিভিউয়ের সুযোগ পায়।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম্বোলোর সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেক সমর্থক তার এই সিদ্ধান্তকে অবিবেচক বলে মন্তব্য করেন। কেউ কেউ তাকে ‘বিশ্বকাপের সবচেয়ে বোকা ফুটবলার’ বলেও আখ্যায়িত করেন।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow