বিশ্বকাপে ইতালির ঐতিহাসিক জয়
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে ইতালি। ‘সি’ গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে তারা। আজ বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৭তম ম্যাচে ১০ উইকেটের দাপুটে জয় পায় ইতালিয়ানরা। ১২৪ রানের সহজ লক্ষ্য তারা স্পর্শ করে ফেলে মাত্র ১২.৪ ওভারেই, হাতে তখনও অবশিষ্ট ছিল ৪৪ বল।
টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইতালি, আর শুরু থেকেই তাদের বোলাররা চাপে রাখে নেপালকে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ৫ রান করে ফেরেন কুশল ভুর্তেল। এরপর উইকেটকিপার আসিফ শেখ (২০) ও অধিনায়ক রোহিত পাউডেল (২৩) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও দলীয় ৪৯ রানের মধ্যেই দুজনেই বিদায় নিলে ভেঙে পড়ে টপ অর্ডার।
মিডল অর্ডারে আরিফ শেখ সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন। দীপেন্দ্র সিং আইরি যোগ করেন ১৭ রান। শেষদিকে করণ কেসি ১১ বলে অপরাজিত ১৮ রানের ছোট ঝড়ো ইনিংস খেললেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় বড় সংগ্রহ পায়নি নেপাল। ১৯.৩ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৩ রান।
ইতালির বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন ক্রিশান কালুগামাগে। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। বেন মানে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে ইতালি। ‘সি’ গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নেপালকে উড়িয়ে দিয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে তারা। আজ বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১৭তম ম্যাচে ১০ উইকেটের দাপুটে জয় পায় ইতালিয়ানরা। ১২৪ রানের সহজ লক্ষ্য তারা স্পর্শ করে ফেলে মাত্র ১২.৪ ওভারেই, হাতে তখনও অবশিষ্ট ছিল ৪৪ বল।
টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ইতালি, আর শুরু থেকেই তাদের বোলাররা চাপে রাখে নেপালকে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ৫ রান করে ফেরেন কুশল ভুর্তেল। এরপর উইকেটকিপার আসিফ শেখ (২০) ও অধিনায়ক রোহিত পাউডেল (২৩) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও দলীয় ৪৯ রানের মধ্যেই দুজনেই বিদায় নিলে ভেঙে পড়ে টপ অর্ডার।
মিডল অর্ডারে আরিফ শেখ সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন। দীপেন্দ্র সিং আইরি যোগ করেন ১৭ রান। শেষদিকে করণ কেসি ১১ বলে অপরাজিত ১৮ রানের ছোট ঝড়ো ইনিংস খেললেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় বড় সংগ্রহ পায়নি নেপাল। ১৯.৩ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৩ রান।
ইতালির বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন ক্রিশান কালুগামাগে। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। বেন মানেন্তি ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচায় শিকার করেন ২টি উইকেট। এছাড়া আলি হাসান, জে জে স্মাটস ও জাসপ্রীত সিং নেন একটি করে উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ইতালি। দুই ওপেনার জাস্টিন মস্কা ও অ্যান্থনি মস্কা নেপালের বোলারদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। পাওয়ারপ্লেতেই আসে ৬৮ রান, যা ম্যাচের গতিপথ স্পষ্ট করে দেয়।
জাস্টিন মস্কা ৪৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৬০ রান করেন। অন্যপ্রান্তে আরও বিধ্বংসী ছিলেন অ্যান্থনি মস্কা। মাত্র ৩২ বলে ৩ চার ও ৬ ছক্কায় খেলেন অপরাজিত ৬২ রানের ইনিংস। দুজনের অবিচ্ছিন্ন উদ্বোধনী জুটিতেই কোনো উইকেট না হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে ইতালি।
নেপালের হয়ে কোনো বোলারই উইকেটের দেখা পাননি। সান্দীপ লামিচানে, করণ কেসি, দীপেন্দ্র আইরি- সবার বিপক্ষেই সাবলীল ছিল ইতালির ব্যাটিং।
সহজ লক্ষ্য, শৃঙ্খল বোলিং এবং দুই ওপেনারের দুর্দান্ত ব্যাটিং- সব মিলিয়ে একতরফা পারফরম্যান্সে বড় জয় তুলে নিয়ে গ্রুপ পর্বে নিজেদের অবস্থান জানান দিল প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা ইতালি।