বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে, তুলে ধরল একাধিক কারণ
আসন্ন ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে নরওয়ে। ঢাকাস্থ নরওয়ের দূতাবাস এই সমর্থন চেয়ে এর জন্য একাধিক কারণও উল্লেখ করেছে। মঙ্গলবার (০৯ জনু) দুপুরে ররেল নরওয়েজিয়ান এম্ব্যাসি ঢাকা নিজেদের ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট করেছে, ১০ ঘণ্টায় সেখানে বাংলাদেশিদের লাভ রিয়েক্টের বন্যা বয়েছে। বন্ধুত্বপূর্ণ আবহ দিয়ে লেখা ওই পোস্টে ফুটবল, বিশ্বকাপ, সাগর, মাছ ও লাভ রিয়েক্টের ইমোজি ব্যবহার করেছে দূতাবাস, যাতে এটি আকর্ষণীয় হয়েছে। ইংরেজিতে লেখা দূতাবাসের পোস্টটি নিচে বাংলায় হুবহু তুলে ধরা হলো। ‘বাংলাদেশের উচিত ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে নরওয়েকে সমর্থন করা! কেন, জানেন? কারণ ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি আমাদের দুই দেশের মধ্যে রয়েছে আরও অনেক মিল! নরওয়ে ছিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি, মধ্যস্থতা এবং জলবায়ু বিষয়ক উদ্যোগেও দুই দেশই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে পারস্পরিক সম্মান, ইতিহাস এবং বন্ধুত্বের ভিত্তিতে। বাংলাদেশ যেহেতু এই বিশ্বকাপে খেলছে না, তাই ২৮ বছর পর ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফিরে আসা নরওয
আসন্ন ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে নরওয়ে। ঢাকাস্থ নরওয়ের দূতাবাস এই সমর্থন চেয়ে এর জন্য একাধিক কারণও উল্লেখ করেছে।
মঙ্গলবার (০৯ জনু) দুপুরে ররেল নরওয়েজিয়ান এম্ব্যাসি ঢাকা নিজেদের ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট করেছে, ১০ ঘণ্টায় সেখানে বাংলাদেশিদের লাভ রিয়েক্টের বন্যা বয়েছে।
বন্ধুত্বপূর্ণ আবহ দিয়ে লেখা ওই পোস্টে ফুটবল, বিশ্বকাপ, সাগর, মাছ ও লাভ রিয়েক্টের ইমোজি ব্যবহার করেছে দূতাবাস, যাতে এটি আকর্ষণীয় হয়েছে।
ইংরেজিতে লেখা দূতাবাসের পোস্টটি নিচে বাংলায় হুবহু তুলে ধরা হলো।
‘বাংলাদেশের উচিত ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে নরওয়েকে সমর্থন করা!
কেন, জানেন?
কারণ ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি আমাদের দুই দেশের মধ্যে রয়েছে আরও অনেক মিল!
নরওয়ে ছিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি, মধ্যস্থতা এবং জলবায়ু বিষয়ক উদ্যোগেও দুই দেশই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে পারস্পরিক সম্মান, ইতিহাস এবং বন্ধুত্বের ভিত্তিতে।
বাংলাদেশ যেহেতু এই বিশ্বকাপে খেলছে না, তাই ২৮ বছর পর ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফিরে আসা নরওয়ে হতে পারে বাংলাদেশিদের জন্য সমর্থনের আদর্শ দল।
শুনুন তাহলে আরও কিছু কারণ—
আমরা দুজনেই নদী ও সাগরঘেরা উপকূলীয় দেশ, আর মাছের প্রতি ভালোবাসাও আমাদের এক করে!
ন্যায়বিচার ও সমতার মূল্যবোধে আমরা বিশ্বাস করি—হোক তা আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় কিংবা ফুটবল মাঠে।
আমরা দুজনেই নিজ নিজ দিক থেকে “ছোট” — বাংলাদেশ আয়তনে তুলনামূলক ছোট, আর নরওয়ে জনসংখ্যার দিক থেকে ছোট। কিন্তু বৈশ্বিক মঞ্চে আমাদের স্বপ্ন অনেক বড়!
আর যারা এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি, তাদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ—নরওয়ের দলে আছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল তারকা আর্লিং ব্রাউট হালান্ড ।
তাহলে কী বলো, বাংলাদেশ?
আন্ডারডগদের পাশে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখার সময় এসেছে!’
What's Your Reaction?