বিশ্বকাপে ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামে স্নাইপাররা কি করেন?

২০২৬ বিশ্বকাপজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্যতম আলোচিত বিষয়। বিশেষ করে টুর্নামেন্টের অধিকাংশ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। কারণ, বিশ্বের যেসব দেশে সহিংসতার হার সবচেয়ে বেশি, যুক্তরাষ্ট্র তাদের মধ্যে অন্যতম। এ কারণে ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামে স্নাইপার মোতায়েনের বিষয়টি অনেক দর্শকের নজর কেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের জনসমাগমের অনুষ্ঠানে এটি একটি নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এনএফএলের (ন্যাশনাল ফুটবল লিগ) অনেক স্টেডিয়ামেই সামরিক বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নির্দিষ্ট অবস্থান থাকে, যেখান থেকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রাইফেল হাতে প্রশিক্ষিত স্নাইপাররা পুরো দর্শকসারি পর্যবেক্ষণ করেন। এসব অবস্থানকে সাধারণভাবে ‘স্নাইপার নেস্ট’ বলা হয়। সাধারণত স্টেডিয়ামের উঁচু স্থানে এসব স্নাইপারকে মোতায়েন করা হয়, যাতে তারা দর্শকদের অধিকাংশ এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারেন। স্টেডিয়ামের ভেতরের পাশাপাশি আশপাশের এলাকাও আলাদাভাবে নিরাপত্তা সদস্যরা নজরদারিতে রাখেন। স্নাইপার মোতায়েনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা বা অস্ত্রধারী হামলা

বিশ্বকাপে ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামে স্নাইপাররা কি করেন?

২০২৬ বিশ্বকাপজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্যতম আলোচিত বিষয়। বিশেষ করে টুর্নামেন্টের অধিকাংশ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। কারণ, বিশ্বের যেসব দেশে সহিংসতার হার সবচেয়ে বেশি, যুক্তরাষ্ট্র তাদের মধ্যে অন্যতম। এ কারণে ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামে স্নাইপার মোতায়েনের বিষয়টি অনেক দর্শকের নজর কেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের জনসমাগমের অনুষ্ঠানে এটি একটি নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এনএফএলের (ন্যাশনাল ফুটবল লিগ) অনেক স্টেডিয়ামেই সামরিক বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নির্দিষ্ট অবস্থান থাকে, যেখান থেকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রাইফেল হাতে প্রশিক্ষিত স্নাইপাররা পুরো দর্শকসারি পর্যবেক্ষণ করেন। এসব অবস্থানকে সাধারণভাবে ‘স্নাইপার নেস্ট’ বলা হয়।

সাধারণত স্টেডিয়ামের উঁচু স্থানে এসব স্নাইপারকে মোতায়েন করা হয়, যাতে তারা দর্শকদের অধিকাংশ এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারেন। স্টেডিয়ামের ভেতরের পাশাপাশি আশপাশের এলাকাও আলাদাভাবে নিরাপত্তা সদস্যরা নজরদারিতে রাখেন।

স্নাইপার মোতায়েনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা বা অস্ত্রধারী হামলাকারীর (অ্যাকটিভ শুটার) আক্রমণ প্রতিরোধ করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানো।

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক-সহিংসতার তথ্য পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা গান ভায়োলেন্স-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালেই দেশটিতে ২০৬টি গণগুলির (মাস শুটিং) ঘটনা ঘটেছে। তবে স্নাইপার মোতায়েনই নিরাপত্তার একমাত্র ব্যবস্থা নয়।

বিশ্বকাপসহ যুক্তরাষ্ট্রে বড় জনসমাগমের সব আয়োজনেই এটি একটি বিস্তৃত নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ। ফুটবল ম্যাচ, বড় কনসার্ট, রাজনৈতিক সমাবেশ এবং বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি থাকে- এমন সব অনুষ্ঠানেই এই ধরনের নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করা হয়।

আরআর/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow