বিশ্বকাপে সমান গোল হলে কীভাবে নির্ধারিত হবে গোল্ডেন বুট? জানুন ফিফার নিয়ম
ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার গোল্ডেন বুট, যা টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতাকে দেওয়া হয়। ২০২৬ বিশ্বকাপে এই পুরস্কারের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে শেষ পর্যন্ত যদি একাধিক খেলোয়াড় সমান সংখ্যক গোল করেন, তাহলে কীভাবে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে? ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, শুধু সমান গোল করলেই গোল্ডেন বুট ভাগাভাগি হয় না। এ ক্ষেত্রে দুটি টাইব্রেকার প্রয়োগ করা হয়। প্রথমে দেখা হয় কে বেশি অ্যাসিস্ট করেছেন। অর্থাৎ সমান গোল করা খেলোয়াড়দের মধ্যে যার অ্যাসিস্ট বেশি, তিনিই এগিয়ে থাকবেন। অ্যাসিস্টের হিসাব নির্ধারণ করে ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপ। যদি গোল ও অ্যাসিস্ট—দুই ক্ষেত্রেই সমতা থাকে, তাহলে বিবেচনায় আসে মাঠে কম সময় খেলে কে ওই গোলসংখ্যায় পৌঁছেছেন। যে খেলোয়াড় কম মিনিট খেলেই সমান গোল করেছেন, তিনিই গোল্ডেন বুট জিতবেন। এই দুই মানদণ্ডেও যদি খেলোয়াড়দের আলাদা করা না যায়, তখনই কেবল গোল্ডেন বুট যৌথভাবে দেওয়া হবে। গোল্ডেন বুট পুরস্কারটি ১৯৮২ সালে ‘গোল্ডেন শু’ নামে চালু হয়েছিল। পরে ২০১০ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ‘গোল্ডেন বু
ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার গোল্ডেন বুট, যা টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতাকে দেওয়া হয়। ২০২৬ বিশ্বকাপে এই পুরস্কারের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে শেষ পর্যন্ত যদি একাধিক খেলোয়াড় সমান সংখ্যক গোল করেন, তাহলে কীভাবে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে?
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, শুধু সমান গোল করলেই গোল্ডেন বুট ভাগাভাগি হয় না। এ ক্ষেত্রে দুটি টাইব্রেকার প্রয়োগ করা হয়।
প্রথমে দেখা হয় কে বেশি অ্যাসিস্ট করেছেন। অর্থাৎ সমান গোল করা খেলোয়াড়দের মধ্যে যার অ্যাসিস্ট বেশি, তিনিই এগিয়ে থাকবেন। অ্যাসিস্টের হিসাব নির্ধারণ করে ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপ।
যদি গোল ও অ্যাসিস্ট—দুই ক্ষেত্রেই সমতা থাকে, তাহলে বিবেচনায় আসে মাঠে কম সময় খেলে কে ওই গোলসংখ্যায় পৌঁছেছেন। যে খেলোয়াড় কম মিনিট খেলেই সমান গোল করেছেন, তিনিই গোল্ডেন বুট জিতবেন।
এই দুই মানদণ্ডেও যদি খেলোয়াড়দের আলাদা করা না যায়, তখনই কেবল গোল্ডেন বুট যৌথভাবে দেওয়া হবে।
গোল্ডেন বুট পুরস্কারটি ১৯৮২ সালে ‘গোল্ডেন শু’ নামে চালু হয়েছিল। পরে ২০১০ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ‘গোল্ডেন বুট’ রাখা হয়। রোনালদো নাজারিও, মিরোস্লাভ ক্লোসা, হ্যারি কেইন, কিলিয়ান এমবাপ্পে, হামেস রদ্রিগেজ ও থমাস মুলারের মতো তারকারা এই পুরস্কার জিতেছেন।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র একবার গোল্ডেন বুট যৌথভাবে দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্কো এবং বুলগেরিয়ার হ্রিস্টো স্তইচকভ—দুজনই ৬ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট করে সমান অবস্থানে থাকায় যৌথভাবে এই সম্মান লাভ করেন।
What's Your Reaction?