বিশ্বকাপ নয়, আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে বয়কট করবো: ইরান
রাজনৈতিক উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও বিশ্বকাপ বয়কট না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদি তাজ বুধবার স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি চালিয়ে যাব। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে বয়কট করব, কিন্তু বিশ্বকাপকে নয়।’ আগামী ফুটবল ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে বিমান হামলার পর থেকেই দেশটির অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ইরানের গ্রুপপর্বের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে হওয়ার কথা; কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মেহেদি তাজ জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে যাবে না। এমনকি ইরানের পক্ষ থেকে ফিফার সঙ্গে আলোচনা চলছে, যাতে তাদের ম্যাচগুলো মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়া যায়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে খেলা ‘নিরাপদ নাও হতে পারে’। এই মন্তব্যের পরই ইরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়। ফিফা অবশ্য জানিয়েছে, তারা সব অংশগ্রহণকারী দেশের
রাজনৈতিক উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও বিশ্বকাপ বয়কট না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদি তাজ বুধবার স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি চালিয়ে যাব। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে বয়কট করব, কিন্তু বিশ্বকাপকে নয়।’
আগামী ফুটবল ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় যৌথভাবে। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে বিমান হামলার পর থেকেই দেশটির অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ইরানের গ্রুপপর্বের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে হওয়ার কথা; কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মেহেদি তাজ জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে যাবে না। এমনকি ইরানের পক্ষ থেকে ফিফার সঙ্গে আলোচনা চলছে, যাতে তাদের ম্যাচগুলো মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়া যায়।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে খেলা ‘নিরাপদ নাও হতে পারে’। এই মন্তব্যের পরই ইরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়।
ফিফা অবশ্য জানিয়েছে, তারা সব অংশগ্রহণকারী দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং ঘোষিত সূচি অনুযায়ীই বিশ্বকাপ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো বলেছেন, ‘আমরা চাই সব দল নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী খেলুক এবং প্রতিযোগিতা হোক পারস্পরিক সম্মান ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে।’
তবে ইরানের ম্যাচ অন্য দেশে সরানো হলেও সমস্যা পুরোপুরি শেষ হবে না। কারণ নকআউট পর্বে সম্ভাব্যভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ পড়লে সেটি আবার যুক্তরাষ্ট্রেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
বিশ্বকাপ শুরু হতে আর তিন মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে এমন পরিবর্তন আনা নজিরবিহীন ঘটনা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম জানিয়েছেন, ফিফা সিদ্ধান্ত নিলে তাদের দেশ ইরানের ম্যাচ আয়োজন করতে প্রস্তুত।
সব বিতর্কের মাঝেও ইরান তাদের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। চলতি মাসেই তুরস্কে নাইজেরিয়া ও কোস্টারিকার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
সব মিলিয়ে, রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যে থেকেও বিশ্বকাপে খেলার ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে ইরান, তবে যুক্তরাষ্ট্রে না খেলার সিদ্ধান্ত নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে বিশ্ব ফুটবলে।
আইএইচএস/
What's Your Reaction?