বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রধানের পদত্যাগ
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বোর্জ ব্রেন্দে পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি এই ঘোষণা দেন। এক বিবৃতিতে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, গভীরভাবে বিবেচনা করে আমি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখানে কাটানো সাড়ে আট বছর আমার জন্য খুব ফলপ্রসূ ছিল। আমি আমার সহকর্মী ও অংশীদারদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ। আমার মনে হয়, কোনো বিচ্যুতি ছাড়া ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো চালিয়ে নেওয়ার জন্য এখনই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়। ধারণা করা হচ্ছে, দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়ে স্বতন্ত্র তদন্ত শুরুর জেরে তিনি পদত্যাগ করেছেন। তবে তার বিবৃতিতে এপস্টিনের কোনো প্রসঙ্গ উল্লেখ নেই। ২০১৭ সালে ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট হন নরওয়ের এই রাজনীতিক। নরওয়ের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তিনি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত নথিতে দেখা গেছে, এপস্টিনের সঙ্গে ব্রেন্দের তিনটি ব্যবসায়িক নৈশভোজ হয়েছিল। এ ছাড়া তিনি এই অর্থ বিনিয়োগকারীর সঙ্গে ইমেইল ও খুদে বার্তায় নিয়মিত যোগা
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বোর্জ ব্রেন্দে পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি এই ঘোষণা দেন।
এক বিবৃতিতে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, গভীরভাবে বিবেচনা করে আমি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখানে কাটানো সাড়ে আট বছর আমার জন্য খুব ফলপ্রসূ ছিল। আমি আমার সহকর্মী ও অংশীদারদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ। আমার মনে হয়, কোনো বিচ্যুতি ছাড়া ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো চালিয়ে নেওয়ার জন্য এখনই সরে দাঁড়ানোর সঠিক সময়।
ধারণা করা হচ্ছে, দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়ে স্বতন্ত্র তদন্ত শুরুর জেরে তিনি পদত্যাগ করেছেন। তবে তার বিবৃতিতে এপস্টিনের কোনো প্রসঙ্গ উল্লেখ নেই।
২০১৭ সালে ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট হন নরওয়ের এই রাজনীতিক। নরওয়ের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তিনি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত নথিতে দেখা গেছে, এপস্টিনের সঙ্গে ব্রেন্দের তিনটি ব্যবসায়িক নৈশভোজ হয়েছিল। এ ছাড়া তিনি এই অর্থ বিনিয়োগকারীর সঙ্গে ইমেইল ও খুদে বার্তায় নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। এ নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি।
What's Your Reaction?