বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ

ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বুধবার (১০ জুন) ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি। স্থানীয় সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণটি কেশম শহর থেকে কিছুটা দূরে ঘটতে পারে অথবা এটি হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুমকির কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথকে ঘিরে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার মধ্যেই এ খবর সামনে এসেছে। স্থানীয় প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, বুধবার ভোর থেকে হরমোজান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা এবং পারস্য উপসাগরীয় উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। তবে, এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ইরানের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন

বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ

ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বুধবার (১০ জুন) ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি।

স্থানীয় সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণটি কেশম শহর থেকে কিছুটা দূরে ঘটতে পারে অথবা এটি হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুমকির কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথকে ঘিরে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার মধ্যেই এ খবর সামনে এসেছে।

স্থানীয় প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, বুধবার ভোর থেকে হরমোজান প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা এবং পারস্য উপসাগরীয় উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

তবে, এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন।

কেএম 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow