বিড়ালের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ার সঠিক কৌশল
রহস্যময় ও স্বাধীনচেতা স্বভাবের কারণে বিড়ালের সঙ্গে সহজে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা অনেকের কাছেই কঠিন মনে হয়। তবে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে এই প্রাণীটিই হয়ে উঠতে পারে আপনার সবচেয়ে কাছের সঙ্গী। কবি জীবনানন্দ দাশ তার ‘বিড়াল’ কবিতায় যেমন একটি ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকা প্রাণীর চিত্র তুলে ধরেছেন, বাস্তব জীবনেও বিড়ালের আচরণ অনেকটা তেমনই। তাই তাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে প্রয়োজন ধৈর্য ও বোঝাপড়া। নগরজীবনে একাকিত্ব কমাতে অনেকেই এখন পোষা প্রাণী রাখছেন। এর মধ্যে বিড়াল জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তবে বিড়ালের আস্থা অর্জন করতে হলে কিছু বিষয় জানা জরুরি। নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করুন নতুন বিড়াল ঘরে আনার পরই তাকে কোলে নেওয়া বা আদর করার চেষ্টা না করে কিছুটা সময় দিন। নতুন পরিবেশে সে ভয় পেতে পারে। তাই ঘরের এক কোণে তার জন্য নিরাপদ জায়গা তৈরি করুন, যেখানে সে নিজেকে স্বস্তিতে রাখতে পারে। নির্দিষ্ট রুটিন বজায় রাখুন বিড়াল অভ্যাসের প্রাণী। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার, ঘুম ও খেলাধুলার অভ্যাস গড়ে তুললে সে দ্রুত মানিয়ে নেয়। হঠাৎ পরিবর্তন এড়িয়ে চলাই ভালো। নিজের মতো করে আসতে দিন বিড়াল কখন আপনার কাছে আসবে, সেটি সে নিজেই ঠিক করে। তার আচরণে
রহস্যময় ও স্বাধীনচেতা স্বভাবের কারণে বিড়ালের সঙ্গে সহজে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা অনেকের কাছেই কঠিন মনে হয়। তবে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে এই প্রাণীটিই হয়ে উঠতে পারে আপনার সবচেয়ে কাছের সঙ্গী।
কবি জীবনানন্দ দাশ তার ‘বিড়াল’ কবিতায় যেমন একটি ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকা প্রাণীর চিত্র তুলে ধরেছেন, বাস্তব জীবনেও বিড়ালের আচরণ অনেকটা তেমনই। তাই তাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে প্রয়োজন ধৈর্য ও বোঝাপড়া।
নগরজীবনে একাকিত্ব কমাতে অনেকেই এখন পোষা প্রাণী রাখছেন। এর মধ্যে বিড়াল জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তবে বিড়ালের আস্থা অর্জন করতে হলে কিছু বিষয় জানা জরুরি।
নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করুন
নতুন বিড়াল ঘরে আনার পরই তাকে কোলে নেওয়া বা আদর করার চেষ্টা না করে কিছুটা সময় দিন। নতুন পরিবেশে সে ভয় পেতে পারে। তাই ঘরের এক কোণে তার জন্য নিরাপদ জায়গা তৈরি করুন, যেখানে সে নিজেকে স্বস্তিতে রাখতে পারে।
নির্দিষ্ট রুটিন বজায় রাখুন
বিড়াল অভ্যাসের প্রাণী। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার, ঘুম ও খেলাধুলার অভ্যাস গড়ে তুললে সে দ্রুত মানিয়ে নেয়। হঠাৎ পরিবর্তন এড়িয়ে চলাই ভালো।
নিজের মতো করে আসতে দিন
বিড়াল কখন আপনার কাছে আসবে, সেটি সে নিজেই ঠিক করে। তার আচরণের মাধ্যমে আস্থা বোঝা যায়- যেমন কপাল ঘষা, পায়ের কাছে আসা বা কোলে বসা। এসব লক্ষণ দেখা গেলে বুঝবেন সে আপনাকে গ্রহণ করেছে।
অস্বস্তির সংকেত বুঝুন
বিড়াল বিরক্ত হলে জোর করে তাকে কাছে টানবেন না। লেজ কাঁপানো, কান পেছনে সরিয়ে রাখা বা চোখের মণি বড় হয়ে যাওয়া- এসব অস্বস্তির লক্ষণ। তখন তাকে একা থাকতে দিন।
কাছে আসতে উৎসাহ দিন
হাতে করে খাবার দেওয়া বা খেলনার মাধ্যমে তাকে আকৃষ্ট করা যেতে পারে। এতে বিড়াল ধীরে ধীরে আপনার উপস্থিতির সঙ্গে ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করবে।
ধৈর্য ধরে সম্পর্ক গড়ুন
বিড়ালের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে সময় লাগে। তবে ধৈর্য ধরে এগোলে একসময় সে আপনার প্রতি গভীরভাবে নির্ভরশীল হয়ে উঠবে এবং আপনার সঙ্গই তার সবচেয়ে প্রিয় হয়ে উঠবে।
What's Your Reaction?