বিয়েতে রাজি না হওয়ায় সানজিদাকে হত্যা করে হিমু

বরিশালে প্রেমিকাকে হত্যার লোহমর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন আসামি হিমু। শুক্রবার (৮ মে) বিচারকের সামনে হত্যার বর্ণনা তুলে ধরেন তিনি। জবানবন্দিতে হিমু জানিয়েছে, বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকা কলেজছাত্রী সানজিদা কবির আনিতাকে বাসায় ডেকে হত্যা করে পালিয়ে যায় সে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার ইচলাদীতে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর টোলপ্লাজা থেকে হিমুকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব সদস্যরা। গ্রেপ্তার মাইনুল ইসলাম হিমু ঝালকাঠি পৌর শহরের কাঠপট্টি এলাকার গোলাম মোর্শেদ জিলানী ওরফে মিল্টন আকনের ছেলে। হিমু তার মায়ের সঙ্গে বরিশাল নগরীর মুন্সিগ্যারেজ এলাকায় অক্সফোর্ড মিশন প্রাইমারি স্কুল এলাকায় রাফি মঞ্জিলে ভাড়া থাকতেন। অন্যদিকে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার শাহিন হাওলার কবিরের মেয়ে, বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজছাত্রী সানজিদা কবির আনিতা। তার সঙ্গে হিমুর দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। গত ২৩ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯টায় সানজিদা তার বোনের বাসায় যাওয়ার কথা বলে নিজ বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। ওইদিন দুপুর দেড়টার পর প্রেমিক হিমুর মা বাসায় ফিরে দেখতে পান তাল

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় সানজিদাকে হত্যা করে হিমু

বরিশালে প্রেমিকাকে হত্যার লোহমর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন আসামি হিমু। শুক্রবার (৮ মে) বিচারকের সামনে হত্যার বর্ণনা তুলে ধরেন তিনি।

জবানবন্দিতে হিমু জানিয়েছে, বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকা কলেজছাত্রী সানজিদা কবির আনিতাকে বাসায় ডেকে হত্যা করে পালিয়ে যায় সে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার ইচলাদীতে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর টোলপ্লাজা থেকে হিমুকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব সদস্যরা।

গ্রেপ্তার মাইনুল ইসলাম হিমু ঝালকাঠি পৌর শহরের কাঠপট্টি এলাকার গোলাম মোর্শেদ জিলানী ওরফে মিল্টন আকনের ছেলে। হিমু তার মায়ের সঙ্গে বরিশাল নগরীর মুন্সিগ্যারেজ এলাকায় অক্সফোর্ড মিশন প্রাইমারি স্কুল এলাকায় রাফি মঞ্জিলে ভাড়া থাকতেন।

অন্যদিকে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার শাহিন হাওলার কবিরের মেয়ে, বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজছাত্রী সানজিদা কবির আনিতা। তার সঙ্গে হিমুর দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল।

গত ২৩ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯টায় সানজিদা তার বোনের বাসায় যাওয়ার কথা বলে নিজ বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। ওইদিন দুপুর দেড়টার পর প্রেমিক হিমুর মা বাসায় ফিরে দেখতে পান তালাবদ্ধ ঘরে আনিতার মৃতদেহ খাটের ওপর পড়ে আছে।

পরে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। একইদিন সানজিদার বড় বোন হিমুসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন প্রেমিক হিমু।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লুৎফর রহমান বলেন, অভিযুক্ত হিমু হত্যার দায় স্বীকার করে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।

সে আদালতকে জানিয়েছে, হিমু ও সানজিদার দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে প্রথম স্ত্রীকে হত্যার বিষয়টি জেনে যাওয়ায় দুজনের মধ্যে গত তিন মাস ধরে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। ঘটনার দিন সানজিদাকে নিজের বাসায় ডেকে নেয় হিমু। বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এতে সে রাজি না হওয়ায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায় হিমু।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow