বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বিয়ের বৌভাত অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কনের ছোট বোনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।  মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে উপজেলার সমাজ সহিলদেও ইউনিয়নের উতিয়ারকোণা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৩ মার্চ) সহিলদেও এলাকার উতিয়ারকোণা গ্রামের সবুজ মিয়ার ছেলে কাওছার মিয়ার (২২) সঙ্গে একই এলাকার মেদী পাথরকাটা গ্রামের মো. আব্দুল হেকিম খানের মেয়ের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে বরের বাড়িতে বৌভাত অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে যায় কনে বাড়ির লোকজন।  খাবারে মাংস কম এবং দুর্গন্ধযুক্ত ভাত দেওয়াকে কেন্দ্র করে বর পক্ষের সঙ্গে কনে পক্ষের লোকজনের কথা কাটিকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে বাধে। এতে কনের আপন ছোট বোনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন। বরের বাবা সবুজ মিয়া জানান, ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা খরচ করে আমার ছেলের বৌভাত অনুষ্ঠান আয়োজন করেছি। অনুষ্ঠান চলাকালে খাবার খেতে বসে কনে বাড়ির লোকজন আমাদের লোকজনের সঙ্গে তর্কাতর্কি সৃষ্টি করে একপর্যায়ে সবাই একে অপরের ওপর এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি

বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বিয়ের বৌভাত অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কনের ছোট বোনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। 

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে উপজেলার সমাজ সহিলদেও ইউনিয়নের উতিয়ারকোণা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৩ মার্চ) সহিলদেও এলাকার উতিয়ারকোণা গ্রামের সবুজ মিয়ার ছেলে কাওছার মিয়ার (২২) সঙ্গে একই এলাকার মেদী পাথরকাটা গ্রামের মো. আব্দুল হেকিম খানের মেয়ের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে বরের বাড়িতে বৌভাত অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেতে যায় কনে বাড়ির লোকজন। 

খাবারে মাংস কম এবং দুর্গন্ধযুক্ত ভাত দেওয়াকে কেন্দ্র করে বর পক্ষের সঙ্গে কনে পক্ষের লোকজনের কথা কাটিকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে বাধে। এতে কনের আপন ছোট বোনসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন।

বরের বাবা সবুজ মিয়া জানান, ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা খরচ করে আমার ছেলের বৌভাত অনুষ্ঠান আয়োজন করেছি। অনুষ্ঠান চলাকালে খাবার খেতে বসে কনে বাড়ির লোকজন আমাদের লোকজনের সঙ্গে তর্কাতর্কি সৃষ্টি করে একপর্যায়ে সবাই একে অপরের ওপর এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে।

কনের চাচা গোলাম মোস্তফা জানান, বরের বাড়িতে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তা খুবই লজ্জাজনক।

মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, বিয়য়টি আমার জানা নেই। এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগও দেয়নি। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow