বিয়ের একদিন পর মসজিদে মিলল মুয়াজ্জিনের মরদেহ, শোকে মামার মৃত্যু
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বিয়ের মাত্র একদিন পর একটি মসজিদ থেকে এক মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর তার মরদেহ দেখতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন মামা আহিদুল ইসলাম (৪০)।
বুধবার (১৫ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের মুনাকাশা কাঁকড়া চৌপতি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল মালেক (২২) উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের কাঁকড়া বাজার এলাকার নুরুল হকের ছেলে। তিনি মুনাকাশা কাঁকড়া চৌপতি জামে মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার আব্দুল মালেকের বিয়ে হয়। বুধবার গভীর রাতে স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরের ছাদের কাঠামোর সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে ভাগনের মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকাহত হয়ে পড়েন তার মামা আহিদুল ইসলাম। পরে মরদেহ দেখতে গিয়ে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বলেন, বিয়ের মাত্র একদিন পর এমন ঘটনায় পুরো এলা
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বিয়ের মাত্র একদিন পর একটি মসজিদ থেকে এক মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর তার মরদেহ দেখতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন মামা আহিদুল ইসলাম (৪০)।
বুধবার (১৫ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের মুনাকাশা কাঁকড়া চৌপতি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল মালেক (২২) উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের কাঁকড়া বাজার এলাকার নুরুল হকের ছেলে। তিনি মুনাকাশা কাঁকড়া চৌপতি জামে মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার আব্দুল মালেকের বিয়ে হয়। বুধবার গভীর রাতে স্থানীয় মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরের ছাদের কাঠামোর সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে ভাগনের মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকাহত হয়ে পড়েন তার মামা আহিদুল ইসলাম। পরে মরদেহ দেখতে গিয়ে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বলেন, বিয়ের মাত্র একদিন পর এমন ঘটনায় পুরো এলাকা শোকাহত। ভাগনের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মামার মৃত্যুর ঘটনাও অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত আলী সরকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।