বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের বিষ্ণুরামপুর (মির্জাবাড়ি) গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা মো. রুহুল আমিনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় স্থানীয় মির্জাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ তাকী তাজওয়ার রাষ্ট্রের পক্ষে মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন ও সালাম গ্রহণ করেন। জানাজার আগে জাতীয় পতাকা দিয়ে আচ্ছাদিত বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এরপর মরহুমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে একই মাঠে তার জানাজা সম্পন্ন হয় এবং জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। মরহুমের জানাজায় ও শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আমিনুল ইসলাম মজনু মাস্টার এবং রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সুরুজ চৌধ

বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের বিষ্ণুরামপুর (মির্জাবাড়ি) গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা মো. রুহুল আমিনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় স্থানীয় মির্জাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তাকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ তাকী তাজওয়ার রাষ্ট্রের পক্ষে মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন ও সালাম গ্রহণ করেন।

জানাজার আগে জাতীয় পতাকা দিয়ে আচ্ছাদিত বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এরপর মরহুমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে একই মাঠে তার জানাজা সম্পন্ন হয় এবং জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

মরহুমের জানাজায় ও শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আমিনুল ইসলাম মজনু মাস্টার এবং রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সুরুজ চৌধুরী।

এছাড়াও বাবুগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম স্বাধীন, বাবুগঞ্জ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. কামরুজ্জামান, বিএনপি নেতা মো. আজাহারুল ইসলাম সেলিম মাস্টার, মির্জাবাড়ি জামে মসজিদের সভাপতি মির্জা মাহমুদুল হাসান সাঈদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এবং সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি জানাজায় অংশ নেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা মো. রুহুল আমিন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। অবশেষে গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, এক মেয়ে ও আত্মীয়স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার এই প্রয়াণে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow