বুড়িগঙ্গা-ধলেশ্বরী সংযোগে খাল খননের ঘোষণা পানিসম্পদ মন্ত্রীর 

বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীর প্রাকৃতিক সংযোগ পুনরুদ্ধারে কেরানীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী আঁটি খাল পুনঃখননের ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এনি। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের জয়নগর স্কুল মাঠসংলগ্ন আঁটি খাল এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন। স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মন্ত্রী খালের বর্তমান অবস্থা ঘুরে দেখেন। দীর্ঘদিনের দখল, ভরাট ও নাব্যতা সংকটে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়েছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, আঁটি খাল সচল না হলে বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরীর মধ্যে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরবে না। বর্ষায় জলাবদ্ধতা, শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট- সবকিছুর সঙ্গেই এই খালের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি দ্রুত জরিপ সম্পন্ন করে পর্যায়ক্রমে খনন কাজ শুরুর নির্দেশ দেন। পানিসম্পদ মন্ত্রী এনি বলেন, খাল খনন শুধু একটি প্রকল্প নয়, এটি পরিবেশ ও জনজীবন রক্ষার অঙ্গীকার। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া এ উদ্যোগ সফল হবে না। কর্মকর্তারা জানান, খালের বিভিন্ন অংশে অবৈধ স্থাপনা ও মাটি ভরাটের কারণে প্রস্থ ও গভীরতা কমে গেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী দখলমুক্ত

বুড়িগঙ্গা-ধলেশ্বরী সংযোগে খাল খননের ঘোষণা পানিসম্পদ মন্ত্রীর 

বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীর প্রাকৃতিক সংযোগ পুনরুদ্ধারে কেরানীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী আঁটি খাল পুনঃখননের ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এনি।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের জয়নগর স্কুল মাঠসংলগ্ন আঁটি খাল এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন।

স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে মন্ত্রী খালের বর্তমান অবস্থা ঘুরে দেখেন। দীর্ঘদিনের দখল, ভরাট ও নাব্যতা সংকটে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়েছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আঁটি খাল সচল না হলে বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরীর মধ্যে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরবে না। বর্ষায় জলাবদ্ধতা, শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট- সবকিছুর সঙ্গেই এই খালের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি দ্রুত জরিপ সম্পন্ন করে পর্যায়ক্রমে খনন কাজ শুরুর নির্দেশ দেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী এনি বলেন, খাল খনন শুধু একটি প্রকল্প নয়, এটি পরিবেশ ও জনজীবন রক্ষার অঙ্গীকার। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া এ উদ্যোগ সফল হবে না।

কর্মকর্তারা জানান, খালের বিভিন্ন অংশে অবৈধ স্থাপনা ও মাটি ভরাটের কারণে প্রস্থ ও গভীরতা কমে গেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী দখলমুক্তকরণ, পুনঃখনন ও তীর সংরক্ষণ কাজ একযোগে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রয়োজন হলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

এলাকাবাসীর দাবি, আঁটি খাল সচল হলে জলাবদ্ধতা কমবে, কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।

পরিদর্শন শেষে ঢাকা-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেন, ১৯৮০ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল কাটা কর্মসূচির মাধ্যমে খনন করেন। ১৯৯০ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া পুনঃখনন করেন। এখন আবার খনন হলে খালটি প্রাণ ফিরে পাবে।

বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ঐতিহ্যবাহী আঁটি খাল একসময় নৌ-চলাচল ও সেচ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, খনন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে খালের ঐতিহ্য ও কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার হবে।

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক, এসিল্যান্ড জান্নাতুল মাওয়া এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow