বৃদ্ধ মা-বাবার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে নতুন আইন
ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে বৃদ্ধ মা-বাবার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে নতুন একটি আইন পাস করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় পাস হওয়া এ আইনের নাম ‘তেলেঙ্গানা এমপ্লয়িজ অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড মনিটরিং অব প্যারেন্টাল সাপোর্ট বিল, ২০২৬’। এ আইনের আওতায় সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জন্য তাদের বৃদ্ধ মা-বাবার ভরণপোষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেউ এ আইন না মানলে, তাদের বেতনের একটি অংশ কেটে রাখা হবে। আইন অনুযায়ী, মাসিক বেতনের ১৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা কেটে রাখা হবে। পরে এ টাকা দেওয়া হবে আইন ভঙ্গকারীর মা-বাবাকে। ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে তেলেঙ্গানায় এ আইন পাস করা হলো। সংসদে বিল উত্থাপনের সময় তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভান্থ রেড্ডি বলেন, ‘যেসব সন্তান মা-বাবাকে অবহেলা করে, তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করা উচিত।’ এ সময় তিনি রেমন্ড গ্রুপের সাবেক চেয়ারম্যান বিজয়পত সিংহানিয়ার উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘বিপুল সম্পত্তির মালিক হওয়া সত্ত্বেও শেষ বয়সে নিজের ছেলের কারণে তাকে অসহায় জীবন কাটাতে হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, আপাতত সর্বোচ্চ সীমা ১০ হাজার টাকা রাখা হলেও কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করা হবে এই স
ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে বৃদ্ধ মা-বাবার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে নতুন একটি আইন পাস করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় পাস হওয়া এ আইনের নাম ‘তেলেঙ্গানা এমপ্লয়িজ অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড মনিটরিং অব প্যারেন্টাল সাপোর্ট বিল, ২০২৬’।
এ আইনের আওতায় সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জন্য তাদের বৃদ্ধ মা-বাবার ভরণপোষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেউ এ আইন না মানলে, তাদের বেতনের একটি অংশ কেটে রাখা হবে। আইন অনুযায়ী, মাসিক বেতনের ১৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা কেটে রাখা হবে। পরে এ টাকা দেওয়া হবে আইন ভঙ্গকারীর মা-বাবাকে।
ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে তেলেঙ্গানায় এ আইন পাস করা হলো। সংসদে বিল উত্থাপনের সময় তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভান্থ রেড্ডি বলেন, ‘যেসব সন্তান মা-বাবাকে অবহেলা করে, তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করা উচিত।’
এ সময় তিনি রেমন্ড গ্রুপের সাবেক চেয়ারম্যান বিজয়পত সিংহানিয়ার উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘বিপুল সম্পত্তির মালিক হওয়া সত্ত্বেও শেষ বয়সে নিজের ছেলের কারণে তাকে অসহায় জীবন কাটাতে হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আপাতত সর্বোচ্চ সীমা ১০ হাজার টাকা রাখা হলেও কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করা হবে এই সীমা বাড়ানোর জন্য। যাতে বৃদ্ধ মা-বাবারা আরও বেশি আর্থিক নিরাপত্তা পান।
সদ্য পাস হওয়া এ বিলটিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিধানসভার স্পিকার জি. প্রসাদ কুমার এবং বিজেপি সদস্য পায়েল শঙ্করসহ বিভিন্ন দলের নেতারা। পায়েল শঙ্কর বলেন, ‘মা-বাবার সেবার জন্য আইন করতে হচ্ছে এটি দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু সরকারের এই পদক্ষেপ সময়োপযোগী।’ উপস্থিত অন্য বিধায়করাও বিলটিকে সমর্থন জানান।
What's Your Reaction?