‘বেঁচে থেকেও যেন বেঁচে নেই’, নায়িকা নূতনের আক্ষেপ

পর্দার ঝলমলে আলো আর করতালির শব্দের আড়ালে অনেক সময় লুকিয়ে থাকে নিঃসঙ্গতার দীর্ঘশ্বাস। দীর্ঘ ৫২ বছরের চলচ্চিত্রজীবন পেছনে ফেলে আজ সেই আক্ষেপই প্রকাশ করলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নূতন। সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। বহুদিন পর সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হলেও মনের ভেতরের কষ্ট লুকাতে পারেননি। কেমন আছেন, এমন প্রশ্নে কিছুক্ষণ নীরব থেকে তিনি বলেন, ‘আমি বেঁচে থাকতেও বেঁচে নেই। কোনো অনুষ্ঠানে দেখা হলে খোঁজখবর নেওয়া হয়, এরপর আর কেউ মনে রাখে না।’ গত ডিসেম্বরে মারা যান তার স্বামী, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক রুহুল আমিন বাবুল। স্বামীর অসুস্থতা ও মৃত্যুর সময় ইন্ডাস্ট্রির অনেককেই পাশে পাননি বলে অভিযোগ করেন নূতন। তার কথায়, ‘উনি এই ইন্ডাস্ট্রির মানুষ ছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় খুব কম মানুষ দেখতে গেছেন। জানাজায়ও তেমন কাউকে দেখিনি। এটা আমার সবচেয়ে বড় দুঃখ।’স্বামী রুহুল আমিন বাবুলের সঙ্গে নূতননূতন আরও প্রশ্ন তোলেন, শিল্পীরা কি শুধু মৃত্যুর পরই স্মরণীয় হন? ‘আমরা মারা গেলে কাগজে ছবি ছাপা হবে, লেখা হবে ভালো মানুষ ছিলেন। জীবিত থাকতে কেন কেউ লেখে না? কেন আমাদের কথা বলা হয় না?’

‘বেঁচে থেকেও যেন বেঁচে নেই’, নায়িকা নূতনের আক্ষেপ

পর্দার ঝলমলে আলো আর করতালির শব্দের আড়ালে অনেক সময় লুকিয়ে থাকে নিঃসঙ্গতার দীর্ঘশ্বাস। দীর্ঘ ৫২ বছরের চলচ্চিত্রজীবন পেছনে ফেলে আজ সেই আক্ষেপই প্রকাশ করলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নূতন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। বহুদিন পর সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হলেও মনের ভেতরের কষ্ট লুকাতে পারেননি।

কেমন আছেন, এমন প্রশ্নে কিছুক্ষণ নীরব থেকে তিনি বলেন, ‘আমি বেঁচে থাকতেও বেঁচে নেই। কোনো অনুষ্ঠানে দেখা হলে খোঁজখবর নেওয়া হয়, এরপর আর কেউ মনে রাখে না।’

গত ডিসেম্বরে মারা যান তার স্বামী, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক রুহুল আমিন বাবুল। স্বামীর অসুস্থতা ও মৃত্যুর সময় ইন্ডাস্ট্রির অনেককেই পাশে পাননি বলে অভিযোগ করেন নূতন। তার কথায়, ‘উনি এই ইন্ডাস্ট্রির মানুষ ছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় খুব কম মানুষ দেখতে গেছেন। জানাজায়ও তেমন কাউকে দেখিনি। এটা আমার সবচেয়ে বড় দুঃখ।’


স্বামী রুহুল আমিন বাবুলের সঙ্গে নূতন

নূতন আরও প্রশ্ন তোলেন, শিল্পীরা কি শুধু মৃত্যুর পরই স্মরণীয় হন? ‘আমরা মারা গেলে কাগজে ছবি ছাপা হবে, লেখা হবে ভালো মানুষ ছিলেন। জীবিত থাকতে কেন কেউ লেখে না? কেন আমাদের কথা বলা হয় না?’- এমন প্রশ্ন ছুড়ে দেন তিনি।

তিনি মনে করেন, শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক সবাই মিলেই ইন্ডাস্ট্রি। যারা অবদান রেখে গেছেন, তাদের জীবিত থাকতেই সম্মান ও ভালোবাসা দেওয়া উচিত। নূতনের এই আবেগঘন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ইতোমধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow