‘বেটাকে আজ জীবনের তরে শেষ করিয়া ফেল’
জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর বাজারে পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুরুতর আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৬ মে) সকালে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একই বংশের দুপক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে শুক্রবার (১৫ মে) রাত ১১টার দিকে শরীফপুর বাজারে মতিন মেডিকেল হলের সামনে রফিকুল ইসলামের ছোট ভাই লিখন আহম্মেদের ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষ অভিযুক্ত মাশফী আকন্দ, জুলন মিয়া ও মিজানুর রহমানসহ অন্যরা। অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারালো রামদা, লোহার রড ও হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তরা লিখন আহম্মেদকে ঘিরে ফেলে। এ সময় গালাগালের প্রতিবাদ করলে ‘শালার বেটাকে আজ জীবনের তরে শেষ করিয়া ফেল’ বলেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে লিখনের বুকে আঘাত করে। এতে তার বুকের মাঝে বড় ধরনের ক্ষত তৈরি হয়। গুরুতর আহত লিখন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে মারধর করে এবং শ্বাসরোধেরও চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভাইকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে রফিকুল ইসলামের ওপরও হামলা করা
জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর বাজারে পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুরুতর আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৬ মে) সকালে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একই বংশের দুপক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে শুক্রবার (১৫ মে) রাত ১১টার দিকে শরীফপুর বাজারে মতিন মেডিকেল হলের সামনে রফিকুল ইসলামের ছোট ভাই লিখন আহম্মেদের ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষ অভিযুক্ত মাশফী আকন্দ, জুলন মিয়া ও মিজানুর রহমানসহ অন্যরা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারালো রামদা, লোহার রড ও হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তরা লিখন আহম্মেদকে ঘিরে ফেলে। এ সময় গালাগালের প্রতিবাদ করলে ‘শালার বেটাকে আজ জীবনের তরে শেষ করিয়া ফেল’ বলেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে লিখনের বুকে আঘাত করে। এতে তার বুকের মাঝে বড় ধরনের ক্ষত তৈরি হয়।
গুরুতর আহত লিখন মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাকে মারধর করে এবং শ্বাসরোধেরও চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভাইকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে রফিকুল ইসলামের ওপরও হামলা করা হয়। ধারালো দা দিয়ে মাথায় কোপ দিলে তিনি হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করলে তার ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি কেটে যায়। পরে লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত লিখন আহম্মেদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় মাশফী আকন্দ, জুলন মিয়া ও মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে।
আহত লিখনের ভাই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সব আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ন্যায়বিচার চাই।
জামালপুর সদর ওসি মিজানুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে মারামারির ঘটনায় অভিযুক্ত মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
What's Your Reaction?