বেনাপোলে দুই মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন

হেরোইনের মামলায় বেনাপোলের দুই মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন যশোরের বিশেষ দায়রা জজ ও বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালত। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আদালতের বিচারক এস এম নূরুল ইসলাম এক রায়ে দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান পলাশ। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ঘিবা গ্রামের ইয়াকুব আলী সরদারের ছেলে শুকুর আলী এবং মৃত নইমুদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে জামাল বিশ্বাস। মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৩ মে শার্শা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, শার্শা বাজারস্থ যাত্রীছাউনির সামনে দুই মাদক কারবারি অবস্থান করছে। এসআই মুরাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একজন ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায় এবং অপরজনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। আটক শুকুর আলীর ব্যাগ তল্লাশি করে ৩০০ গ্রাম হেরোইন এবং পালিয়ে যাওয়া জামাল বিশ্বাসের ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে ২০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এসআই মুরাদ হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে শুকুর আলীকে শার্শা থানায় সোপর্দ করেন। মামলার তদন্ত শেষে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় এজাহার

বেনাপোলে দুই মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন

হেরোইনের মামলায় বেনাপোলের দুই মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন যশোরের বিশেষ দায়রা জজ ও বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালত। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আদালতের বিচারক এস এম নূরুল ইসলাম এক রায়ে দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান পলাশ।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ঘিবা গ্রামের ইয়াকুব আলী সরদারের ছেলে শুকুর আলী এবং মৃত নইমুদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে জামাল বিশ্বাস।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৩ মে শার্শা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, শার্শা বাজারস্থ যাত্রীছাউনির সামনে দুই মাদক কারবারি অবস্থান করছে। এসআই মুরাদ হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একজন ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায় এবং অপরজনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। আটক শুকুর আলীর ব্যাগ তল্লাশি করে ৩০০ গ্রাম হেরোইন এবং পালিয়ে যাওয়া জামাল বিশ্বাসের ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে ২০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় এসআই মুরাদ হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে শুকুর আলীকে শার্শা থানায় সোপর্দ করেন। মামলার তদন্ত শেষে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় এজাহারনামীয় দুই আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুজাত আলী। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি শুকুর আলী ও জামাল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে প্রত্যেককে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

মিলন রহমান/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow