বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার এই উদ্যোগ দেশের ইতিহাসে প্রথম। চুক্তি অনুযায়ী, ধাপে ধাপে আগামী কয়েক বছরে এসব উড়োজাহাজ বিমানের বহরে যুক্ত হবে। চুক্তির আওতায় ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ কেনা হবে। প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকার এই চুক্তি দেশের বিমান খাতে অন্যতম বড় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বোয়িংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন ৭৮

বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাইজার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

একসঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার এই উদ্যোগ দেশের ইতিহাসে প্রথম। চুক্তি অনুযায়ী, ধাপে ধাপে আগামী কয়েক বছরে এসব উড়োজাহাজ বিমানের বহরে যুক্ত হবে।

চুক্তির আওতায় ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ কেনা হবে। প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকার এই চুক্তি দেশের বিমান খাতে অন্যতম বড় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বোয়িংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নতুন ৭৮৭-১০ উড়োজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যের রুটে এবং ৭৮৭-৯ উড়োজাহাজ ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দীর্ঘ দূরত্বের রুটে ব্যবহৃত হবে। এছাড়া ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ায় স্বল্প দূরত্বের রুট পরিচালনা আরও আধুনিক ও শক্তিশালী হবে। এসব উড়োজাহাজ প্রায় ২০ শতাংশ বেশি জ্বালানি সাশ্রয়ী এবং যাত্রীদের জন্য উন্নত সুবিধা প্রদান করবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া চলছিল। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন করে বোয়িংয়ের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়।

বিমান সূত্র জানায়, প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালের অক্টোবর মাসে সরবরাহ করা হতে পারে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ২০৩৫ সালের মধ্যে বাকি ১৩টি উড়োজাহাজ হস্তান্তর সম্পন্ন হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের দীর্ঘ দূরত্বের রুটে সক্ষমতা বাড়বে এবং আঞ্চলিক ফ্লাইট পরিচালনাও আরও শক্তিশালী হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow