ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে টাকা আদায়, এএসআই প্রত্যাহার

গাজীপুরে এক ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মারধর করে টাকা আদায়ের ঘটনায় কোনাবাড়ি থানার এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আজিজুল হককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে তাকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। পরে অভিযুক্ত এএসআইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ওই এএসআইকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনাটির সঙ্গে পুলিশের অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেলোয়ার হোসেনের অভিযোগ, তাকে সিএনজিতে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর করা হয়। পরে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হয়। ঘটনার পর তার বাসায় গিয়ে কিছু টাকা ফেরত দিয়

ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে টাকা আদায়, এএসআই প্রত্যাহার

গাজীপুরে এক ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মারধর করে টাকা আদায়ের ঘটনায় কোনাবাড়ি থানার এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আজিজুল হককে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে তাকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। পরে অভিযুক্ত এএসআইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ওই এএসআইকে কোনাবাড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনাটির সঙ্গে পুলিশের অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেলোয়ার হোসেনের অভিযোগ, তাকে সিএনজিতে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর করা হয়। পরে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হয়। ঘটনার পর তার বাসায় গিয়ে কিছু টাকা ফেরত দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টাও করেন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে মামলায় জড়ানোরও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন।

মো. আমিনুল ইসলাম/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow