ব্যাংক থেকে আমরা এখনো কোনো ঋণ পাচ্ছি না
বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়তই কাজ করছে ব্যবসার উন্নয়নে। তবে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা বাড়লেও চাঁদাবাজির নতুন ধরনে তৈরি হচ্ছে উদ্বেগও। সরকার প্রথম ছয় মাস ব্যবসায়ীদের কাছে কেমন ছিল, ভবিষ্যতের চাওয়া কী- এসব বিষয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি ও ইফাদ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান তাসকীন আহমেদ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এমদাদুল হক তুহিন। জাগো নিউজ: বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস পূর্ণ করছে। এই ছয় মাসে আসলে ব্যবসার পরিবেশ কতটা বদলেছে- একজন ব্যবসায়ী নেতা হিসেবে কী মনে করেন? তাসকীন আহমেদ: সরকারের কাছ থেকে আমরা অনেক কমিটমেন্টস পাচ্ছি। ইজ অব ডুইং বিজনেসের জন্য ডি-রেগুলেশন করার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি। কিন্তু দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে গত কয়েক বছর ধরে, সেগুলো কিন্তু ওভারনাইট পরিবর্তন করা সম্ভব না। আরও পড়ুন হবিগঞ্জে ১৭১ শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ সরকার বেসরকারি খাতের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। এফবিসিসিআইতে নতু
বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিনিয়তই কাজ করছে ব্যবসার উন্নয়নে। তবে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা বাড়লেও চাঁদাবাজির নতুন ধরনে তৈরি হচ্ছে উদ্বেগও।
সরকার প্রথম ছয় মাস ব্যবসায়ীদের কাছে কেমন ছিল, ভবিষ্যতের চাওয়া কী- এসব বিষয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি ও ইফাদ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান তাসকীন আহমেদ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এমদাদুল হক তুহিন।
জাগো নিউজ: বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস পূর্ণ করছে। এই ছয় মাসে আসলে ব্যবসার পরিবেশ কতটা বদলেছে- একজন ব্যবসায়ী নেতা হিসেবে কী মনে করেন?
তাসকীন আহমেদ: সরকারের কাছ থেকে আমরা অনেক কমিটমেন্টস পাচ্ছি। ইজ অব ডুইং বিজনেসের জন্য ডি-রেগুলেশন করার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি। কিন্তু দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে গত কয়েক বছর ধরে, সেগুলো কিন্তু ওভারনাইট পরিবর্তন করা সম্ভব না।
সরকার বেসরকারি খাতের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। এফবিসিসিআইতে নতুন প্রশাসক বসিয়ে একটি সহায়ক কমিটি করেছে। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন নিয়ে কাজ হচ্ছে। ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। যদিও এর বাস্তবায়ন এখনো শুরু হয়নি।
আমরা মনে করি এই সরকার একটি বড় ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দুটি এফএসআরইউ এনে বসানোর কথা বলা হচ্ছে, সেটি তিন থেকে সাড়ে তিন বছর লাগবে। অলরেডি ওনারা অনশোর ও অফশোরের গ্যাস উত্তোলনের জন্য বহির্বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানিকে অ্যাপয়েন্ট করেছে, এটাও তো তিন থেকে চার বছর সময় লাগবে। কিন্তু গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান আমার আজই প্রয়োজন
আমরা মনে করি এই সরকার একটি বড় ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দুটি এফএসআরইউ এনে বসানোর কথা বলা হচ্ছে, সেটি তিন থেকে সাড়ে তিন বছর লাগবে। অলরেডি ওনারা অনশোর ও অফশোরের গ্যাস উত্তোলনের জন্য বহির্বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানিকে অ্যাপয়েন্ট করেছে, এটাও তো তিন থেকে চার বছর সময় লাগবে।
কিন্তু গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান আমার আজই প্রয়োজন। সবকিছু মিলিয়ে আমার মনে হয়, এখন পর্যন্ত মনে হচ্ছে সরকারের কমিটমেন্ট ঠিক আছে। ছয় মাসে মনে হয়েছে, সরকার তার প্রতিশ্রুতি পূরণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
জাগো নিউজ: এই সময়ে সরকারের তিনটি সফলতার কথা যদি বলেন।
তাসকীন আহমেদ: সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে, সরকার গঠনের পর পরেই এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পিছিয়ে দেওয়া। এটি হলে দেশের অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে একটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তো। দ্বিতীয় হচ্ছে, ছয় মাসের মধ্যেই অফশোর ড্রিলিংয়ের জন্য অলরেডি একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিয়েছে। তৃতীয় হচ্ছে, ঢাকা শহরের যানজট কমাতে ইলেকট্রিক গাড়ির একটি বন্দোবস্ত করা হচ্ছে, প্রাথমিকভাবে সরকার সম্ভবত ২শ গাড়ি ডিরেক্ট ডিপিএম মেথডে কিনছে।
এর বাইরে ডি-রেগুলেশনের প্রতিশ্রুতি, কৃষক কার্ড ও মহিলা কার্ডও খুব ভালো উদ্যোগ। এসব কার্ডের মাধ্যমে যে টাকা প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছাবে, তা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিতেই সার্কুলেট হবে। সে হিসেবে কৃষক কার্ডকে আমি সরকারের সবচেয়ে বড় সাকসেসফুল স্টেপ হিসেবে দেখছি।
জাগো নিউজ: এই ছয় মাসে সরকার এমন কোন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার সুফল আপনারা ব্যবসায়ীরা এই মুহূর্তে ভোগ করছেন?
তাসকীন আহমেদ: এই মুহূর্তে চলমান জ্বালানি সংকট, সেটি থেকে উত্তরণের অংশ হিসেবে সরকার কাজ করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এফএসআরইউ সেটেল হচ্ছে না, ওনাদের কন্টিনিউয়াসলি এনার্জি সিকিউরিটিটা এনশিওর করতে হবে। গত সপ্তাহে কিন্তু আরামকো সিঙ্গাপুর থেকে এলএনজি কিনেছে। ব্যবসা ক্ষেত্রে তারল্যের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন, যদিও এটির ডিসবার্সমেন্ট এখনো শুরু হয়নি। আমাদের আশা থাকবে দ্রুত এটির ডিসবার্সমেন্ট শুরু হবে।
জাগো নিউজ: তার মানে, এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো কিছুর সুফল পাননি?
তাসকীন আহমেদ: আমি বললাম এলএনজির সাপ্লাইটা এখন পর্যন্ত এনশিওর করে রাখতে হবে।
জাগো নিউজ: দীর্ঘমেয়াদি নয়, স্বল্পমেয়াদে ছয় মাসে কোনো সুফল পেয়েছেন কি না?
তাসকীন আহমেদ: না, এই মুহূর্তে এখন পর্যন্ত হাতে কিছু পাইনি।
জাগো নিউজ: ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে আস্থা কি বেড়েছে?
আস্থা অবশ্যই বেড়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে এটিও উপলব্ধি করছি, প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়ের পেট্রোল পাম্প থেকে দিন-দুপুরে টাকা লুট হয়েছে। চট্টগ্রামের একটি চাঁদাবাজির ঘটনাও গণমাধ্যমে ফলাও করে এসেছে। নির্বাচিত সরকার আসার সঙ্গে সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের যে মব ভায়োলেন্স, সেটি কিন্তু একদম শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। ফলে নির্বাচিত সরকার আসার পরে আমাদের আস্থা যেমন বেড়েছে, আমাদের কনফিডেন্স, বিজনেস কনফিডেন্স যেমন বেড়েছে; একইসঙ্গে উদ্বেগের ব্যাপারটিও মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে
তাসকীন আহমেদ: আস্থা অবশ্যই বেড়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে এটিও উপলব্ধি করছি, প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়ের পেট্রোল পাম্প থেকে দিন-দুপুরে টাকা লুট হয়েছে। চট্টগ্রামের একটি চাঁদাবাজির ঘটনাও গণমাধ্যমে ফলাও করে এসেছে। নির্বাচিত সরকার আসার সঙ্গে সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের যে মব ভায়োলেন্স, সেটি কিন্তু একদম শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। ফলে নির্বাচিত সরকার আসার পরে আমাদের আস্থা যেমন বেড়েছে, আমাদের কনফিডেন্স, বিজনেস কনফিডেন্স যেমন বেড়েছে; একইসঙ্গে উদ্বেগের ব্যাপারটিও মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে!
জাগো নিউজ: ব্যবসায়ীদের অনেকেই বলছেন, নতুন ফরম্যাটে চাঁদাবাজি হচ্ছে…
তাসকীন আহমেদ: হ্যাঁ, চাঁদাবাজি শেষ হয়নি। প্রান্তিক পর্যায়ে ব্যবসায়ী লেভেলে চাঁদাবাজি এখনো শেষ হয়নি। হয়তো বা ধরনটা পাল্টেছে। কারণ আপনারা জানেন, গার্মেন্টসের একটা ঝুট ব্যবসা, বিভিন্ন ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটি যে সব ব্যবসা আছে, সেটার স্ক্র্যাপ বিক্রি আগেও ১০০ টাকা মূল্যের জিনিস, আমি ৫০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হতাম, আজকের দিনেও কিন্তু আমি ১০০ টাকার জিনিস ৫০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।
জাগো নিউজ: দেশে আপনারা (ব্যবসায়ীরা) কি নতুন বিনিয়োগ শুরু করেছেন? নতুন বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে?
তাসকীন আহমেদ: এই মুহূর্তে নতুন বিনিয়োগের চিন্তা করাটাই একটি রং কনসেপ্ট। এই মুহূর্তে এক্সিস্টিং যে ব্যবসা আছে, এই ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ ও আমরা হাবুডুবু খাচ্ছি। কোনো ফ্যাক্টরিতে ১০০টি মেশিন আছে, যদি কোনো কারণে ১০টি মেশিন রিপ্লেস করতে হয়, এই আমদানিকে নতুন বিনিয়োগ হিসেবে ধরাটা কিন্তু ঠিক হবে না। আমার মনে হয় না, এই মুহূর্তে এখনো নতুন করে ইনভেস্টমেন্টের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
জাগো নিউজ: ব্যাংক থেকে আপনারা কি ঋণ পাচ্ছেন?
আমরা কোনো ঋণ পাচ্ছি না। নির্বাচনের আগে যে ধরনের সমস্যা ছিল, এখনো সেই একই সমস্যা রয়ে গেছে। ব্যাংক থেকে এখনো বলা হচ্ছে, বড় বড় ব্যবসায়ীরা ঋণখেলাপি। ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৫ থেকে ১০ শতাংশ দুষ্কৃতকারী থাকতে পারেন। বাকি ৯০ শতাংশ কিন্তু প্রকৃত কারণেই ডিফল্টার হয়ে গেছেন।
তাসকীন আহমেদ: না, আমরা কোনো ঋণ পাচ্ছি না। নির্বাচনের আগে যে ধরনের সমস্যা ছিল, এখনো সেই একই সমস্যা রয়ে গেছে। ব্যাংক থেকে এখনো বলা হচ্ছে, বড় বড় ব্যবসায়ীরা ঋণখেলাপি। ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৫ থেকে ১০ শতাংশ দুষ্কৃতকারী থাকতে পারেন। বাকি ৯০ শতাংশ কিন্তু প্রকৃত কারণেই ডিফল্টার হয়ে গেছেন। এটির সমাধান না করলে এসএমই খাত দিয়ে তো আর আপনি অর্থনীতি দাঁড় করিয়ে রাখতে পারবেন না, আপনার লার্জ করপোরেটেরও প্রয়োজন।
জাগো নিউজ: নতুন সরকারের কাছ থেকে আপনারা কি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কিছু পেয়েছেন, নাকি কম?
তাসকীন আহমেদ: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি মাত্র ছয় মাসের মধ্যে নির্ণয় করাটি সঠিক মূল্যায়ন হবে বলে আমি মনে করি না। এই সরকারের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা অবশ্যই অনেক বেশি। কারণ ওনারা আমাদের আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখানোর সুযোগ করে দিয়েছেন, স্বপ্ন দেখিয়েছেন।
কিন্তু এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য মিনিমাম হলেও দেড় থেকে দুই বছর অপেক্ষা করতে হবে। সো, আমি কোনোভাবেই রাজি না ছয় মাসের মধ্যে ওনাদের ব্যর্থতা বা সফলতা। সফলতাগুলো অবশ্যই দেখা যায়, ওনারা ফেল করেছেন- এই নির্ণয়টা আমি সমীচীন মনে করি না।
জাগো নিউজ: ছয় মাসে সরকারের কোন সিদ্ধান্ত ব্যবসা-বাণিজ্যের বিরুদ্ধে গেছে কিংবা ব্যবসা ক্ষেত্রে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, এমন কিছু দেখছেন?
তাসকীন আহমেদ: আমি এখনো এমন কিছু দেখছি না। কোনো ব্যর্থতা দেখছি না। সরকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কিন্তু এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা অপেক্ষা করছি তা কত দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। কারণ সরকারেরও তো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ১০ দিনের মাথায় মধ্যপ্রাচ্যে সংকট শুরু হলো, তেল পাওয়া যাচ্ছিল না, তেলের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেলো, সরকার খুব সফলভাবে সেটি মোকাবিলা করেছে। সেটি আমাদের স্বীকার করতে হবে।
জাগো নিউজ: সামগ্রিকভাবে সরকারের ছয় মাসকে ব্যবসায়ী নেতা হিসেবে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
তাসকীন আহমেদ: ব্যবসায়ী প্রতিনিধি হিসেবে বলবো, সরকারকে এখন পর্যন্ত ব্যবসায়ীবান্ধব সরকারই মনে হচ্ছে। এই সরকার অনুধাবন করছে বেসরকারি খাত অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এই বেসরকারি খাতকে বাঁচানোর জন্যই সরকার অল্প সময়েই এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মুভ করেছে। ছয় মাসের মধ্যে একটি কমিটি ফর্ম করে ডিরেগুলাইজশনের জন্য কাজ করছে। অনেক ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি তাদের রয়েছে, আমাদের মনে হচ্ছে, সরকার সেগুলো সাকসেসফুলি ইমপ্লিমেন্ট করতে চায়।
ইএইচটি/এএসএ/ এমএফএ
What's Your Reaction?




