ব্যাংক লেনদেন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা

জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের ব্যাংকিং কার্যক্রমের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ব্যাংকিং লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং ব্যাংক বন্ধ হবে বিকেল ৪টায়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে রাত ১২টার দিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে চাপ কমাতে এবং সামগ্রিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সব অফিসের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এতে করে কর্মঘণ্টা সমন্বয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ তেল আমদানি নির্ভর হওয়ায় সরবরাহ ও দামের ওপর চাপ পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার ব্যয় কমাতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-সরকারি নতুন যানবাহন, জলযান ও আকাশ

ব্যাংক লেনদেন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা

জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের ব্যাংকিং কার্যক্রমের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ব্যাংকিং লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং ব্যাংক বন্ধ হবে বিকেল ৪টায়।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে রাত ১২টার দিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে চাপ কমাতে এবং সামগ্রিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সব অফিসের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এতে করে কর্মঘণ্টা সমন্বয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ তেল আমদানি নির্ভর হওয়ায় সরবরাহ ও দামের ওপর চাপ পড়ছে।

এ পরিস্থিতিতে সরকার ব্যয় কমাতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-সরকারি নতুন যানবাহন, জলযান ও আকাশযান ক্রয় স্থগিত, কম্পিউটার সামগ্রী কেনা বন্ধ, অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ৫০ শতাংশ কমানো এবং সরকারি অর্থায়নে বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ রাখা।

এছাড়া সভা-সেমিনার ব্যয় ৫০ শতাংশ এবং জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে ব্যয় ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ ব্যয়ও ৩০ শতাংশ হ্রাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

অন্যদিকে, সব ধরনের মার্কেট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি সেবাসমূহ এ সিদ্ধান্তের বাইরে থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং মনিটরিং জোরদার করা হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ভবিষ্যতে আরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

এর আগে রাত পৌনে ৯টার দিকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টায়।

এমএএস/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow