ব্যানারে নাম না থাকায় বিব্রত এমপি
চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী নজরুল মেলাকে ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। জেলা প্রশাসকের অফিসিয়াল ফেসবুক ‘DC Chuadanga’ পেইজে প্রকাশিত পোস্ট ও অনুষ্ঠানের ব্যানারে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং জেলা জামায়াতের আমির মো. রুহুল আমিনের নাম উল্লেখ না থাকায় এই আয়োজন নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার (২৩ মে) চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় কবির স্মৃতিবিজড়িত কার্পাসডাঙ্গাতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করা হয়। এ সময় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুতফুন নাহারসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমীন উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত পোস্টে উল্লেখ করা হয়, দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় আয়োজিত কবির স্মৃতিবিজড়িত আটচালায় নজরুল মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত নাহার। পোস্টে আরও বলা হয়, অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী
চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী নজরুল মেলাকে ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
জেলা প্রশাসকের অফিসিয়াল ফেসবুক ‘DC Chuadanga’ পেইজে প্রকাশিত পোস্ট ও অনুষ্ঠানের ব্যানারে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং জেলা জামায়াতের আমির মো. রুহুল আমিনের নাম উল্লেখ না থাকায় এই আয়োজন নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
শনিবার (২৩ মে) চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় কবির স্মৃতিবিজড়িত কার্পাসডাঙ্গাতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিনদিনব্যাপী মেলা উদ্বোধন করা হয়। এ সময় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুতফুন নাহারসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমীন উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত পোস্টে উল্লেখ করা হয়, দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় আয়োজিত কবির স্মৃতিবিজড়িত আটচালায় নজরুল মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত নাহার। পোস্টে আরও বলা হয়, অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর উপস্থিত থাকার সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।
শনিবার বিকেলে প্রথমদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন উপস্থিত থাকলেও অনুষ্ঠানের ব্যানারে তাকে প্রধান অতিথি, সভাপতি বা বিশেষ অতিথি হিসেবে কোনোভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফন নাহারের নাম ছিল। এমপি রুহুল আমীনের নামই ছিল না।
এ নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও সরকারি আয়োজনে তার নাম বা ভূমিকা উল্লেখ না করার পেছনে কোনো প্রশাসনিক ব্যাখ্যা রয়েছে কি না।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও শাহিন আলম বলেন, সংসদ সদস্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার বিষয়টি শুক্রবার দিবাগত রাতে চূড়ান্ত করেন। এরপর এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। ফলে ব্যানারটা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি। এমপি স্যারকে কোনো কার্ডে নয়, মোবাইল ফোনে দাওয়াত দিয়েছিলাম।
এমপি রুহুল আমীন বলেন, ‘জেলা প্রশাসক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে করেছেন। আমি থাকবো জেনেও ব্যানারে ডিসির নাম প্রধান অতিথির তালিকায় রাখা হয়েছে। অথচ আমার নামই নেই। এমনকি কবির স্মৃতিস্তম্ভে আমার জন্য কোনো ফুলের তোড়াও রাখা হয়নি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বিব্রত বোধ করেছি।
What's Your Reaction?