ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দা-ছুরির আঘাত ও পশুর লাথিতে আহত দুই শতাধিক
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটতে গিয়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ। আহতদের বেশিরভাগই ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছেন। এছাড়া গরু ও মহিষের লাথি কিংবা ধাক্কায় আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকটি। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের রেজিস্টার সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির মাংস কাটার সময় অসাবধানতাবশত ছুরি, দা ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অধিকাংশ মানুষ আহত হয়েছেন। অনেকের হাত ও পায়ে একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়া গরু-মহিষ জবাইয়ের সময় প্রাণীর লাথি কিংবা ধাক্কায় হাত-পা ভাঙাসহ বিভিন্ন ধরনের আঘাত পেয়েছেন অনেকে। তবে চিকিৎসকদের মতে, আহতদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় অভিজ্ঞতার অভাব ও অসাবধানতার কারণেই এসব দুর্ঘটনা বেশি ঘটেছে। বিশেষ করে মৌসুমি কসাই ও পরিবারের সদস্যরা পশু জবাই এবং মাংস কাটতে গিয়ে বেশি আহত হয়েছেন। শহরের কাজীপাড়ার বাসিন্দা আহত সোহাগ মিয়া বল
পবিত্র ঈদুল আজহার দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটতে গিয়ে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ। আহতদের বেশিরভাগই ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছেন। এছাড়া গরু ও মহিষের লাথি কিংবা ধাক্কায় আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকটি।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের রেজিস্টার সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির মাংস কাটার সময় অসাবধানতাবশত ছুরি, দা ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অধিকাংশ মানুষ আহত হয়েছেন। অনেকের হাত ও পায়ে একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়া গরু-মহিষ জবাইয়ের সময় প্রাণীর লাথি কিংবা ধাক্কায় হাত-পা ভাঙাসহ বিভিন্ন ধরনের আঘাত পেয়েছেন অনেকে। তবে চিকিৎসকদের মতে, আহতদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় অভিজ্ঞতার অভাব ও অসাবধানতার কারণেই এসব দুর্ঘটনা বেশি ঘটেছে। বিশেষ করে মৌসুমি কসাই ও পরিবারের সদস্যরা পশু জবাই এবং মাংস কাটতে গিয়ে বেশি আহত হয়েছেন।
শহরের কাজীপাড়ার বাসিন্দা আহত সোহাগ মিয়া বলেন, ‘মাংস কাটার সময় পায়ের নিচে রেখে কাটতে গিয়ে হঠাৎ পায়ে কোপ লাগে। পরে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পায়ে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে।’
ভাদুঘর এলাকার হানিফ মিয়া জানান, সকালে কোরবানির পর গরুর মাংস কাটার সময় অসাবধানতাবশত হাতে ছুরি লেগে যায়। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তিনি হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেন।
নবীনগরের বাইশমৌজা এলাকার মো. খায়ের জানান,. মহিষ জবাইয়ের সময় বাঁধন ছিঁড়ে গেলে সেটি তার ওপর পড়ে যায়। এতে তার হাত, মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সকালের রোস্টারের চিকিৎসক শুভ্র রায় ও দীপংকর ঘোষ জানান, সকাল থেকেই জরুরি বিভাগে আহত রোগীদের চাপ ছিল। কোরবানির মাংস কাটতে গিয়ে এবং পশু জবাইয়ের সময় অসাবধানতার কারণে তারা আহত হয়েছেন।
বিকালের রোস্টারের চিকিৎসক অনিক দেব বলেন, দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অর্ধশতাধিক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের বেশিরভাগের হাতের বিভিন্ন অংশ কাটা ছিল। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আবুল হাসনাত মো. রাফি/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?