ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএসএফের গুলিতে নিহতদের বাড়িতে জামায়াত নেতারা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত মোহাম্মদ মুরসালিন ও নবীর হোসেনের বাড়িতে গেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। তারা শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে নিহতদের বাড়িতে যান এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান ও সান্ত্বনা দেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আতাউর রহমান সরকার। এসময় জেলা জামায়াতের যুববিষয়ক সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম, উপজেলার নায়েবে আমির শিবলী নোমানী, পৌরসভার আমির হারুন অর রশীদ, জেলার প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ আল আরিফ, উপজেলা শিবিরের সভাপতি জাহিদ হাসান, সেক্রেটারি আহমেদ বাদল, সাবেক উপজেলা সভাপতি আমীর হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আতাউর রহমান সরকার পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ড দুঃখজনক। মেনে নেওয়া যায় না। সরকারের উচিত হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করে ভারতের কাছে প্রতিবাদ জানানো।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে ভারতের হাতে। সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এসব হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হলে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএসএফের গুলিতে নিহতদের বাড়িতে জামায়াত নেতারা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত মোহাম্মদ মুরসালিন ও নবীর হোসেনের বাড়িতে গেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।

তারা শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে নিহতদের বাড়িতে যান এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান ও সান্ত্বনা দেন।

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আতাউর রহমান সরকার। এসময় জেলা জামায়াতের যুববিষয়ক সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম, উপজেলার নায়েবে আমির শিবলী নোমানী, পৌরসভার আমির হারুন অর রশীদ, জেলার প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ আল আরিফ, উপজেলা শিবিরের সভাপতি জাহিদ হাসান, সেক্রেটারি আহমেদ বাদল, সাবেক উপজেলা সভাপতি আমীর হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আতাউর রহমান সরকার পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ড দুঃখজনক। মেনে নেওয়া যায় না। সরকারের উচিত হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করে ভারতের কাছে প্রতিবাদ জানানো।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে ভারতের হাতে। সীমান্তে পাখির মতো গুলি করে বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এসব হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হলে বাংলাদেশের বিপ্লবী ছাত্র-জনতা দেশের সীমান্ত রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ।’

এএইচএমআর/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow