ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাড়া নিয়ে দু’দফায় সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ২
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে তিন বছরের এক শিশুর স্পিডবোট ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে দু’দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ও সন্ধ্যায় উপজেলার দড়িয়াদৌলত ইউনিয়নের মরিচাকান্দি স্পিডবোট ঘাটে এবং সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ জাহাঙ্গীর আলমকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে মরিচাকান্দি স্পিডবোট ঘাটে এক যাত্রীর সঙ্গে থাকা তিন বছরের শিশুর কাছে ভাড়া দাবি করেন চালক ইমরান। ঘাটের ইজারাদার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ছোট শিশুর ভাড়া না নেওয়ার নিয়ম জানালে চালকের সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে চালক ইমরান ঘাটের টোল আদায়কারী বাবুলের ওপর চড়াও হন। পরে স্থানীয়রা এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং চালককে সরিয়ে দেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, এ ঘটনার জেরে সন্ধ্যায় পূর্বপাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ডের কবরস্থান সংলগ্ন মসজিদ থেকে এশার নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় আসাদুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির ওপর হামলা চালানো হয়। ইমরান ও তার পক্ষের ৭-৮ জন প
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে তিন বছরের এক শিশুর স্পিডবোট ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে দু’দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ও সন্ধ্যায় উপজেলার দড়িয়াদৌলত ইউনিয়নের মরিচাকান্দি স্পিডবোট ঘাটে এবং সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ জাহাঙ্গীর আলমকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে মরিচাকান্দি স্পিডবোট ঘাটে এক যাত্রীর সঙ্গে থাকা তিন বছরের শিশুর কাছে ভাড়া দাবি করেন চালক ইমরান। ঘাটের ইজারাদার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ছোট শিশুর ভাড়া না নেওয়ার নিয়ম জানালে চালকের সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে চালক ইমরান ঘাটের টোল আদায়কারী বাবুলের ওপর চড়াও হন। পরে স্থানীয়রা এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং চালককে সরিয়ে দেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, এ ঘটনার জেরে সন্ধ্যায় পূর্বপাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ডের কবরস্থান সংলগ্ন মসজিদ থেকে এশার নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় আসাদুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির ওপর হামলা চালানো হয়। ইমরান ও তার পক্ষের ৭-৮ জন পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থেকে তার ওপর হামলা ও মারধর করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আসাদুল্লাহর ওপর হামলার খবর পেয়ে তার স্বজন ও ঘাট-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পূর্বপাড়া ঈদগাহ মাঠ এলাকায় গেলে সেখানে আবারও তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হামলাকারীদের হাতে দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। সংঘর্ষের একপর্যায়ে শরীফ নামের এক যুবক কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এরমধ্যে একটি গুলি মরিচাকান্দি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের তলপেটে বিদ্ধ হয়।
স্থানীয়রা গুরুতর আহত জাহাঙ্গীর আলমকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর মরিচাকান্দি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন মিয়া বলেন, মরিচাকান্দিতে একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়েছি। স্পিডবোটের ভাড়া নিয়ে বিরোধের জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জেনেছি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।