প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে যা বললেন সেই আজিজুর
দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের অপেক্ষার অবসান। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জুলাই আন্দোলনের সময় বহন করা রক্তমাখা জাতীয় পতাকা তার হাতে তুলে দেওয়ার সুযোগ পেলেন সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা আজিজুর শেখ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন গুলিবিদ্ধ এই শিক্ষার্থী।
আজিজুর শেখ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে নাম ধরে ডেকে কাছে নিয়েছেন। তিনি আমার শারীরিক অবস্থা, পড়াশোনা, ব্যক্তিগত জীবন এবং পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন।’
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের সেই রক্তমাখা পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে পেরে আজ আমি নিজেকে সবচেয়ে ভাগ্যবান মনে করছি। প্রায় দুই বছর ধরে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি। আজ আমার সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমেই মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। পাশাপাশি যেসব গণমাধ্যম আমার সংবাদ প্রকাশ করেছে এবং যাদের সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছি, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। যারা সব সময় আমাকে উৎসাহ ও প্রেরণা দিয়েছেন, তাদের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞ।
দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের অপেক্ষার অবসান। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জুলাই আন্দোলনের সময় বহন করা রক্তমাখা জাতীয় পতাকা তার হাতে তুলে দেওয়ার সুযোগ পেলেন সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা আজিজুর শেখ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন গুলিবিদ্ধ এই শিক্ষার্থী।
আজিজুর শেখ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে নাম ধরে ডেকে কাছে নিয়েছেন। তিনি আমার শারীরিক অবস্থা, পড়াশোনা, ব্যক্তিগত জীবন এবং পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন।’
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের সেই রক্তমাখা পতাকা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে পেরে আজ আমি নিজেকে সবচেয়ে ভাগ্যবান মনে করছি। প্রায় দুই বছর ধরে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি। আজ আমার সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমেই মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। পাশাপাশি যেসব গণমাধ্যম আমার সংবাদ প্রকাশ করেছে এবং যাদের সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছি, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। যারা সব সময় আমাকে উৎসাহ ও প্রেরণা দিয়েছেন, তাদের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞ।’
জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করে আজিজুর জানান, আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার সময় তার মাথা, বুক, পিঠ, কপালসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ৩৬টি বুলেটের আঘাত লাগে বলে তিনি দাবি করেন। ১৯ জুলাই তিনি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন এবং দুই দিনের রিমান্ড শেষে ২১ জুলাই মুক্তি পান।
তবে আন্দোলনের পর নিজেকে জুলাই যোদ্ধার তালিকায় না পাওয়া বা আলোচনায় না আসা নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই বলেও জানান তিনি।
বর্তমানে সরকারি বাঙলা কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এই শিক্ষার্থী পড়াশোনার পাশাপাশি ঢাকায় সিএনজি চালিয়ে নিজের শিক্ষাজীবনের ব্যয় বহন করছেন। তার ভাষায়, ‘সৎভাবে উপার্জন করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করাই এখন আমার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।’