ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ছুরিকাঘাতে আনোয়ার হোসেন (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৫ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের কাঠেরপুল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আনোয়ার হোসেন উপজেলার কুটি ইউনিয়নের রানিয়ারা গ্রামের গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে। অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন একই এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় নানান বিষয় নিয়ে আনোয়ার ও সাব্বিরের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। গত বৃহস্পতিবার রাতে এশার নামাজের সময় স্থানীয় একটি সেলুনে এক যুবককে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আনোয়ার প্রতিবাদ করেন। এ সময় সাব্বিরের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে শান্ত করা হয় এবং শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি মীমাংসার কথা ছিল। তবে আনোয়ার সেখানে উপস্থিত হননি। এর জের ধরে শুক্রবার রাতে কাঠেরপুল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দু’জনের মধ্যে আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তারা ছুরি নিয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এরই একপর্যায়ে আনোয়ারের বুকে ছুরিকাঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ছুরিকাঘাতে আনোয়ার হোসেন (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৫ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের কাঠেরপুল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আনোয়ার হোসেন উপজেলার কুটি ইউনিয়নের রানিয়ারা গ্রামের গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে। অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন একই এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় নানান বিষয় নিয়ে আনোয়ার ও সাব্বিরের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। গত বৃহস্পতিবার রাতে এশার নামাজের সময় স্থানীয় একটি সেলুনে এক যুবককে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আনোয়ার প্রতিবাদ করেন। এ সময় সাব্বিরের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে শান্ত করা হয় এবং শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি মীমাংসার কথা ছিল। তবে আনোয়ার সেখানে উপস্থিত হননি।

এর জের ধরে শুক্রবার রাতে কাঠেরপুল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দু’জনের মধ্যে আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তারা ছুরি নিয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এরই একপর্যায়ে আনোয়ারের বুকে ছুরিকাঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত সাব্বির ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

নিহতের বাবা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবং প্রতিবাদ করায় আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দু’জনের দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এফএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow